মানিকগঞ্জ সদরে ঘরের ভেতর থেকে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে হত্যার পর ইকরাম হোসেন (৩০) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জান্নাকান্দি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন ইকরাম হোসেন। শনিবার ঘরের ভেতর স্ত্রী ও দেড় বছরের অবুঝ সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেন। স্বজনেরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে লাশ তিনটি উদ্ধার করে।
পারিবারিক কোনো কলহ বা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার বা পুলিশ। তবে একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায় নেমে এসেছে এবং প্রতিবেশীদের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জ সদরে ঘরের ভেতর থেকে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে হত্যার পর ইকরাম হোসেন (৩০) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জান্নাকান্দি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন ইকরাম হোসেন। শনিবার ঘরের ভেতর স্ত্রী ও দেড় বছরের অবুঝ সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেন। স্বজনেরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে লাশ তিনটি উদ্ধার করে।
পারিবারিক কোনো কলহ বা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার বা পুলিশ। তবে একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায় নেমে এসেছে এবং প্রতিবেশীদের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’

আপনার মতামত লিখুন