মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে প্রাইভেটকারের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে খবর আসে, জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন-মজিবুর রহমান (৫৫), মোছা. শামীমা আক্তার (৪৫), সাবিহা চৌধুরী (৪৩) এবং প্রাইভেটকারের চালক সোহেল। চালক সোহেল ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, নিউ বলেশ্বর নামের যাত্রীবাহী বাসটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে প্রাইভেটকারটি মায়ামি রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভবেরচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘হোটেল থেকে উল্টো পথে বের হয়ে প্রাইভেটকারটি ইউটার্ন নেওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই চালকসহ চারজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে প্রাইভেটকারের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটের দিকে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে খবর আসে, জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন-মজিবুর রহমান (৫৫), মোছা. শামীমা আক্তার (৪৫), সাবিহা চৌধুরী (৪৩) এবং প্রাইভেটকারের চালক সোহেল। চালক সোহেল ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, নিউ বলেশ্বর নামের যাত্রীবাহী বাসটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে প্রাইভেটকারটি মায়ামি রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভবেরচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘হোটেল থেকে উল্টো পথে বের হয়ে প্রাইভেটকারটি ইউটার্ন নেওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই চালকসহ চারজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন