জামালপুরের মেলান্দহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ১০ বছর বয়সী নাতি তামীমকে বাঁচাতে গিয়ে বাতাসী বেওয়া (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাতাসী বেওয়া ওই গ্রামের মৃত সিদ্দিক পাঠানের স্ত্রী। আহত নাতি তামীম একই গ্রামের মুছা পাঠানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে তামীম ঘরের ভেতরের একটি স্টিলের শোকেস সরানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় ঘরের একটি ছিঁড়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তার শোকেসের ওপর পড়লে পুরো শোকেস বিদ্যুতায়িত হয়ে তামীম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। নাতির চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে ছুটে যান বাতাসী বেওয়া এবং তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে স্বজনেরা দুজনকে উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাতাসী বেওয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তামীম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের মেলান্দহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ১০ বছর বয়সী নাতি তামীমকে বাঁচাতে গিয়ে বাতাসী বেওয়া (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাতাসী বেওয়া ওই গ্রামের মৃত সিদ্দিক পাঠানের স্ত্রী। আহত নাতি তামীম একই গ্রামের মুছা পাঠানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে তামীম ঘরের ভেতরের একটি স্টিলের শোকেস সরানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় ঘরের একটি ছিঁড়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তার শোকেসের ওপর পড়লে পুরো শোকেস বিদ্যুতায়িত হয়ে তামীম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। নাতির চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে ছুটে যান বাতাসী বেওয়া এবং তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে স্বজনেরা দুজনকে উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাতাসী বেওয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তামীম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন