চুয়াডাঙ্গার ফুলবাড়ির মাঠে গভীর রাতে একটি হাঁসের খামারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অস্ত্রের মুখে খামারি ও কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে প্রায় ৫১৫টি হাঁস লুট করে নিয়ে গেছে ৭-৮ জনের মুখোশধারী ডাকাত দল। লুট হওয়া হাঁসের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে তিন লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে ফুলবাড়ির মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী খামার মালিক কাশেম প্রামাণিক পাবনা জেলার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় ফুলবাড়ির মাঠে ১ হাজার ৩০০ হাঁসের খামার গড়ে তুলেছিলেন।
খামার মালিক কাশেম প্রামাণিক জানান, রাত আড়াইটার দিকে মুখোশধারী ডাকাত দল দেশীয় ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে খামারে হামলা চালায়। তারা হত্যার হুমকি দিয়ে সবাইকে বেঁধে ফেলে এবং জোরপূর্বক বস্তায় হাঁস ভরে মিনি পিকআপে তুলে নিয়ে কেটে পড়ে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, খামার থেকে হাঁস লুটের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার ফুলবাড়ির মাঠে গভীর রাতে একটি হাঁসের খামারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অস্ত্রের মুখে খামারি ও কর্মচারীদের হাত-পা বেঁধে প্রায় ৫১৫টি হাঁস লুট করে নিয়ে গেছে ৭-৮ জনের মুখোশধারী ডাকাত দল। লুট হওয়া হাঁসের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে তিন লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে ফুলবাড়ির মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী খামার মালিক কাশেম প্রামাণিক পাবনা জেলার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় ফুলবাড়ির মাঠে ১ হাজার ৩০০ হাঁসের খামার গড়ে তুলেছিলেন।
খামার মালিক কাশেম প্রামাণিক জানান, রাত আড়াইটার দিকে মুখোশধারী ডাকাত দল দেশীয় ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে খামারে হামলা চালায়। তারা হত্যার হুমকি দিয়ে সবাইকে বেঁধে ফেলে এবং জোরপূর্বক বস্তায় হাঁস ভরে মিনি পিকআপে তুলে নিয়ে কেটে পড়ে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, খামার থেকে হাঁস লুটের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন