দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে পেশাচ্যুত বন্ধ এবং প্রতি দলিলে সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা সম্মানীর প্রজ্ঞাপন জারিসহ সাত দফা দাবিতে ফেনী, বগুড়া ও চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলিল লেখকেরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলাগুলোর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি।
আমাদের ফেনী প্রতিনিধি জানান, শনিবার সকালে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফেনী সদর দলিল লেখক সমিতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ সোলেমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু আইয়ুব আনসারী শামীমের সঞ্চালনায় এতে ফেনী সদর, দাগনভূঞা, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও মতিগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিল মুসাবিদা ও দাখিলের সুযোগ দেওয়া চলবে না। দাবি পূরণ না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।
আমাদের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বগুড়া জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় শহরের শহীদ খোকন পার্কে জেলা কমিটির সভাপতি মোকছেদুর রহমান রোজীর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মতিন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা হাফিজ আহম্মেদ ও প্রধান আলোচক ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম টুকু। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমিতি কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
আমাদের চাঁদপুর প্রতিনিধি জানান, জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে সদর কার্যালয়ে আলহাজ্ব মো. খোরশেদ আলম বাবুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজিত হয়। সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল মোস্তফা তালুকদার জীবনের সঞ্চালনায় এতে কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
সমাবেশগুলো থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ৭টি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়: ১. আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
২. প্রতি দলিলে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নিশ্চিত করতে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৩. লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কাউকে দলিল মুসাবিদা ও দাখিলের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
৪. সমিতিগুলোর সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করতে হবে।
৫. সরকারি খরচে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ করতে হবে।
৬. পক্ষগণের সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে লেখকদের আইনি মামলায় আসামি করা যাবে না।
৭. দলিল লেখকদের পেশাগত সুরক্ষায় কাউন্সিল গঠন বা প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে।
সমাবেশগুলোতে বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত অধিকার ও সমস্যার সমাধানের আকুতি জানানো হলেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে পেশাচ্যুত বন্ধ এবং প্রতি দলিলে সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা সম্মানীর প্রজ্ঞাপন জারিসহ সাত দফা দাবিতে ফেনী, বগুড়া ও চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলিল লেখকেরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলাগুলোর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি।
আমাদের ফেনী প্রতিনিধি জানান, শনিবার সকালে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফেনী সদর দলিল লেখক সমিতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ সোলেমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু আইয়ুব আনসারী শামীমের সঞ্চালনায় এতে ফেনী সদর, দাগনভূঞা, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও মতিগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কাউকে দলিল মুসাবিদা ও দাখিলের সুযোগ দেওয়া চলবে না। দাবি পূরণ না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।
আমাদের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বগুড়া জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় শহরের শহীদ খোকন পার্কে জেলা কমিটির সভাপতি মোকছেদুর রহমান রোজীর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মতিন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা হাফিজ আহম্মেদ ও প্রধান আলোচক ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম টুকু। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমিতি কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
আমাদের চাঁদপুর প্রতিনিধি জানান, জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে সদর কার্যালয়ে আলহাজ্ব মো. খোরশেদ আলম বাবুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজিত হয়। সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল মোস্তফা তালুকদার জীবনের সঞ্চালনায় এতে কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
সমাবেশগুলো থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ৭টি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়: ১. আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না।
২. প্রতি দলিলে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নিশ্চিত করতে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
৩. লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কাউকে দলিল মুসাবিদা ও দাখিলের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
৪. সমিতিগুলোর সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করতে হবে।
৫. সরকারি খরচে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ করতে হবে।
৬. পক্ষগণের সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে দলিল লেখার কারণে লেখকদের আইনি মামলায় আসামি করা যাবে না।
৭. দলিল লেখকদের পেশাগত সুরক্ষায় কাউন্সিল গঠন বা প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে।
সমাবেশগুলোতে বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত অধিকার ও সমস্যার সমাধানের আকুতি জানানো হলেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আপনার মতামত লিখুন