যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় আবেদনের জন্য দক্ষ বিদেশি কর্মী ও নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ১২ মাস অতিরিক্ত ১ লাখ ডলার ফি গুনতে হবে। সংশ্লিষ্ট নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রযুক্তিবিদ ও প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানত এই এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত এ ভিসার আবেদনের ফি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে দেশীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার যুক্তি দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এ ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার নির্ধারণ করে। চলতি সেপ্টেম্বরে সেই আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন করে আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হলো।
অবশ্য ট্রাম্পের এই ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের আইনি লড়াই চলছে। দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ইউএস চেম্বার অব কমার্স ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। তা ছাড়া গত জুনে বোস্টনের একটি ফেডারেল আদালত বাড়তি ফি আদায়কে বেআইনি ঘোষণা করলেও বিষয়টি নিয়ে এখনো উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন রয়েছে।
তবে ট্রাম্পের এই আদেশ থেকে ছাড় পাচ্ছেন কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর আবেদনকারীরা। যারা পূর্বে বিদেশি শিক্ষার্থী ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন এবং পরে এইচ-১বি ভিসায় আবেদন করছেন, তাদের ওপর নতুন এই বর্ধিত ফি প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি যাদের কাছে আগেই বৈধ এইচ-১বি ভিসা ছিল, তারা নবায়নের সময়েও এই এক লাখ ডলারের বাড়তি ফি দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবেন।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রযুক্তি খাতের যোগ্য কর্মীর ঘাটতি মেটাতে ১৯৯০ সালে কংগ্রেস এইচ-১বি ভিসা চালু করে। বিগত কয়েক দশকে ভারত ও চীনের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদদের যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এই ভিসা ব্যবস্থা।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় আবেদনের জন্য দক্ষ বিদেশি কর্মী ও নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ১২ মাস অতিরিক্ত ১ লাখ ডলার ফি গুনতে হবে। সংশ্লিষ্ট নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রযুক্তিবিদ ও প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানত এই এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত এ ভিসার আবেদনের ফি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে দেশীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার যুক্তি দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এ ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার নির্ধারণ করে। চলতি সেপ্টেম্বরে সেই আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন করে আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হলো।
অবশ্য ট্রাম্পের এই ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের আইনি লড়াই চলছে। দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ইউএস চেম্বার অব কমার্স ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। তা ছাড়া গত জুনে বোস্টনের একটি ফেডারেল আদালত বাড়তি ফি আদায়কে বেআইনি ঘোষণা করলেও বিষয়টি নিয়ে এখনো উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন রয়েছে।
তবে ট্রাম্পের এই আদেশ থেকে ছাড় পাচ্ছেন কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর আবেদনকারীরা। যারা পূর্বে বিদেশি শিক্ষার্থী ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন এবং পরে এইচ-১বি ভিসায় আবেদন করছেন, তাদের ওপর নতুন এই বর্ধিত ফি প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি যাদের কাছে আগেই বৈধ এইচ-১বি ভিসা ছিল, তারা নবায়নের সময়েও এই এক লাখ ডলারের বাড়তি ফি দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবেন।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রযুক্তি খাতের যোগ্য কর্মীর ঘাটতি মেটাতে ১৯৯০ সালে কংগ্রেস এইচ-১বি ভিসা চালু করে। বিগত কয়েক দশকে ভারত ও চীনের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদদের যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এই ভিসা ব্যবস্থা।

আপনার মতামত লিখুন