যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৮২ গ্রাম ২৪ ক্যারেটের সোনা পেস্টসহ এক বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত পরিদপ্তরের সদস্যরা। প্রাথমিক তল্লাশিতে কিছু না পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত এক্সরে পরীক্ষায় তার পায়ুপথে (রেকটামে) লুকানো অবস্থায় এই সোনা উদ্ধার করা হয়।
আটক যাত্রীর নাম আল মামুন (৫৫)। তিনি ঢাকার ডেমরা এলাকার মাতুয়াইল শান্তিবাগের মফিজুল হকের ছেলে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল ইমিগ্রেশন জিরো পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভারতে প্রবেশের উদ্দেশ্যে আসা মামুনকে সন্দেহভাজন হিসেবে কাস্টমস সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ ও পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক তল্লাশিতে সোনা বহনের কথা অস্বীকার করলেও তার চলাফেরা ও আচরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাকে নিকটস্থ একটি ক্লিনিকে নিয়ে এক্সরে করানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই তার শরীরের অভ্যন্তরে সোনা থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মামুন পেটের ভেতর সোনা বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার রেকটাম থেকে ৮২ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, জব্দ করা সোনা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য বেনাপোল কাস্টম হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে। সোনা চোরাচালান আইনে মামলা দিয়ে আটক মামুনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অভিনব পাচার প্রক্রিয়ার পেছনে আন্তর্জাতিক কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে কাস্টমস।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৮২ গ্রাম ২৪ ক্যারেটের সোনা পেস্টসহ এক বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত পরিদপ্তরের সদস্যরা। প্রাথমিক তল্লাশিতে কিছু না পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত এক্সরে পরীক্ষায় তার পায়ুপথে (রেকটামে) লুকানো অবস্থায় এই সোনা উদ্ধার করা হয়।
আটক যাত্রীর নাম আল মামুন (৫৫)। তিনি ঢাকার ডেমরা এলাকার মাতুয়াইল শান্তিবাগের মফিজুল হকের ছেলে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল ইমিগ্রেশন জিরো পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভারতে প্রবেশের উদ্দেশ্যে আসা মামুনকে সন্দেহভাজন হিসেবে কাস্টমস সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ ও পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক তল্লাশিতে সোনা বহনের কথা অস্বীকার করলেও তার চলাফেরা ও আচরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাকে নিকটস্থ একটি ক্লিনিকে নিয়ে এক্সরে করানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই তার শরীরের অভ্যন্তরে সোনা থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মামুন পেটের ভেতর সোনা বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার রেকটাম থেকে ৮২ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, জব্দ করা সোনা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য বেনাপোল কাস্টম হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে। সোনা চোরাচালান আইনে মামলা দিয়ে আটক মামুনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই অভিনব পাচার প্রক্রিয়ার পেছনে আন্তর্জাতিক কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে কাস্টমস।

আপনার মতামত লিখুন