জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশেলে। নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে (স্ট্র পোল) অন্য প্রার্থীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর তিনি বিশ্বমঞ্চের শীর্ষ এই পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
৭৪ বছর বয়সী বামপন্থী নেত্রী ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সাবেক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেকে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন চিলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে চিলির ক্ষমতায় কট্টর ডানপন্থী সরকার এলে বাশেলের ওপর থেকে রাষ্ট্রীয় সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতেও তিনি মোট ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে পেছনের সারিতে অবস্থান করছিলেন।
এক ভিডিও বার্তায় নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বাশেলে বলেন, 'কেউ ভাবতে পারেন এই পদের জন্য হয়তো উপযুক্ত সময় এটি ছিল না। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে এই চ্যালেঞ্জটি নিতে পেরে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।' তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার এই প্রার্থিতা অন্তত জাতিসংঘের ৮০ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনো লাতিন আমেরিকান নারীকে শীর্ষ পদে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে বিশ্ব দরবারে সামনে নিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে। ভৌগোলিক আবর্তনের ঐতিহ্য অনুযায়ী এবার লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাশেলে সরে দাঁড়ানোর পর এখন মহাসচিব হওয়ার রেসে টিকে রইলেন চারজন নারীসহ মোট সাতজন প্রার্থী। অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে এখন পর্যন্ত কোস্টারিকার সাবেক উপরাষ্ট্রপতি রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বার্কেট সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশেলে। নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে (স্ট্র পোল) অন্য প্রার্থীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর তিনি বিশ্বমঞ্চের শীর্ষ এই পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
৭৪ বছর বয়সী বামপন্থী নেত্রী ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সাবেক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেকে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন চিলি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে চিলির ক্ষমতায় কট্টর ডানপন্থী সরকার এলে বাশেলের ওপর থেকে রাষ্ট্রীয় সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতেও তিনি মোট ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে পেছনের সারিতে অবস্থান করছিলেন।
এক ভিডিও বার্তায় নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বাশেলে বলেন, 'কেউ ভাবতে পারেন এই পদের জন্য হয়তো উপযুক্ত সময় এটি ছিল না। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে এই চ্যালেঞ্জটি নিতে পেরে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।' তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার এই প্রার্থিতা অন্তত জাতিসংঘের ৮০ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনো লাতিন আমেরিকান নারীকে শীর্ষ পদে দেখার প্রয়োজনীয়তাকে বিশ্ব দরবারে সামনে নিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে। ভৌগোলিক আবর্তনের ঐতিহ্য অনুযায়ী এবার লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাশেলে সরে দাঁড়ানোর পর এখন মহাসচিব হওয়ার রেসে টিকে রইলেন চারজন নারীসহ মোট সাতজন প্রার্থী। অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটিতে এখন পর্যন্ত কোস্টারিকার সাবেক উপরাষ্ট্রপতি রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বার্কেট সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।

আপনার মতামত লিখুন