জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের চার্জ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বার্থ অপারেটররা। এ বিষয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে বার্থ অপারেটরস, শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে ইকরাম চৌধুরী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২২ সালের দর অনুযায়ী এখনো তারা কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েক দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেট বাড়েনি। বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান তারা।
চিঠিতে বলা হয়, ২০২২ সালে দরপত্র দেওয়ার সময় ডিজেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৮০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ এ সময়ে ডিজেলের দাম ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা এবং পরে আরও ১৫ টাকা বাড়লেও চুক্তি দরের সঙ্গে জ্বালানি ব্যয় সমন্বয় করা হয়নি বলে দাবি করেন বার্থ অপারেটররা।
তাদের দাবি, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পুরোপুরি পরিবহননির্ভর হওয়ায় জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে চুক্তি দর সমন্বয় করা জরুরি। এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বন্দর চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের চার্জ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বার্থ অপারেটররা। এ বিষয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে বার্থ অপারেটরস, শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে ইকরাম চৌধুরী মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২২ সালের দর অনুযায়ী এখনো তারা কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েক দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেট বাড়েনি। বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান তারা।
চিঠিতে বলা হয়, ২০২২ সালে দরপত্র দেওয়ার সময় ডিজেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৮০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ এ সময়ে ডিজেলের দাম ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা এবং পরে আরও ১৫ টাকা বাড়লেও চুক্তি দরের সঙ্গে জ্বালানি ব্যয় সমন্বয় করা হয়নি বলে দাবি করেন বার্থ অপারেটররা।
তাদের দাবি, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পুরোপুরি পরিবহননির্ভর হওয়ায় জ্বালানি তেলের বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে চুক্তি দর সমন্বয় করা জরুরি। এ বিষয়ে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বন্দর চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন