কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে নাফ নদীসংলগ্ন পোল্ডারগুলোর পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে কক্সবাজার সফরে গেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই সময়ে দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে রয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সফরসূচি পৃথক।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে আকাশপথে কক্সবাজারে পৌঁছান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সফরসূচি অনুযায়ী তিনি উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বাস্তবায়নাধীন পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মন্ত্রী যে প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন, তার অফিশিয়াল নাম–‘কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)’। এ প্রকল্পের আওতায় উখিয়া ও টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন চারটি পোল্ডারের পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ দুই দিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে উখিয়ার নাফ নদীসংলগ্ন একই পোল্ডার এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। সফরের দ্বিতীয় দিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রতিমন্ত্রী কুতুবদিয়া সফর করবেন। সেখানে তিনি ‘কুতুবদিয়া উপজেলার পোল্ডার নং-৭১ এ সুপার ডাইক নির্মাণসহ টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখবেন। এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুতুবদিয়া সফর শেষে পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে প্রতিমন্ত্রীর। সেখানে পোল্ডার নং-৬৪/২এ ও ৬৪/২বি-এর পুনর্বাসনসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং পর্যালোচনা সভায় অংশ নেবেন তিনি।
সীমান্তবর্তী ও উপকূলীয় উখিয়া-টেকনাফের এসব পোল্ডার বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পোল্ডারের পুনর্বাসন ও বেড়িবাঁধ শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় জনপদ ও কৃষিজমি সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে নাফ নদীসংলগ্ন পোল্ডারগুলোর পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে কক্সবাজার সফরে গেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই সময়ে দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে রয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সফরসূচি পৃথক।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে আকাশপথে কক্সবাজারে পৌঁছান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সফরসূচি অনুযায়ী তিনি উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বাস্তবায়নাধীন পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মন্ত্রী যে প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন, তার অফিশিয়াল নাম–‘কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)’। এ প্রকল্পের আওতায় উখিয়া ও টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন চারটি পোল্ডারের পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ দুই দিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে উখিয়ার নাফ নদীসংলগ্ন একই পোল্ডার এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। সফরের দ্বিতীয় দিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রতিমন্ত্রী কুতুবদিয়া সফর করবেন। সেখানে তিনি ‘কুতুবদিয়া উপজেলার পোল্ডার নং-৭১ এ সুপার ডাইক নির্মাণসহ টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখবেন। এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুতুবদিয়া সফর শেষে পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে প্রতিমন্ত্রীর। সেখানে পোল্ডার নং-৬৪/২এ ও ৬৪/২বি-এর পুনর্বাসনসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন এবং পর্যালোচনা সভায় অংশ নেবেন তিনি।
সীমান্তবর্তী ও উপকূলীয় উখিয়া-টেকনাফের এসব পোল্ডার বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পোল্ডারের পুনর্বাসন ও বেড়িবাঁধ শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় জনপদ ও কৃষিজমি সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন