আজ শুভ ভাদ্র পূর্ণিমা বা মধু পূর্ণিমা। বস্তুত, ভাদ্র পূর্ণিমার অপর নাম মধু পূর্ণিমা। ভাদ্র মাসে তথা ভাদ্র পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় বলে এ দিনটির সঙ্গে বুদ্ধযুগের একটি অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা জড়িয়ে আছে। বৌদ্ধ ইতিহাসে এটি একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন। মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।
মহাকারুণিক ভগবান বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের পর মোট ৪৫ বছর বর্ষাব্রত পালন করেন অরণ্য, পর্বত, গুহা, বিহার ইত্যাদি নানা স্থানে। সূত্রপিটকের মহাবর্গের কোশাম্বী স্কন্ধ মতে, মহাকারুণিক তথাগত বুদ্ধ যখন কোশাম্বীর ঘোষিতারামে ভিক্ষুসংঘসহ অবস্থান করছিলেন, সে সময় দুজন পণ্ডিত ভিক্ষু—বিনয়ধরপন্থী ও গ্রন্থধরপন্থী—একটি ক্ষুদ্র বিনয়সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন। তাদের শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যেও এ নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মতদ্বৈত চরম আকার ধারণ করলে তথাগত বুদ্ধ তাদের বিবাদ মীমাংসার চেষ্টা করেন।
বুদ্ধ দেখলেন, তারা নিজেদের মধ্যে আত্মকলহে জড়িয়ে পড়ায় অনুসারীদের মধ্যেও বিভাজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা সংঘ ও সদ্ধর্মের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বৌদ্ধ পরিভাষায় একেই বলা হয় ‘সংঘভেদ’। কিন্তু উভয় পক্ষ নিজ নিজ মতের পক্ষে অনড় থাকায় বিবাদ মীমাংসা করা সম্ভব হলো না। তখন বুদ্ধ কোশাম্বী ত্যাগ করে পারিলেয়্য নামক বনে গমন করেন এবং সেখানকার ভদ্রশাল নামক বৃক্ষের নিচে দশম বর্ষাবাস গ্রহণ করেন। সেখানে তিনি তিন মাস বর্ষাবাস যাপন ও ধ্যান-সমাধি করেন।
সে বনে ছিল নানা পশুপাখি ও জীবজন্তুর আবাস। বুদ্ধের অপরিমেয় মৈত্রী ও করুণার প্রভাবে বনের সেসব পশুপাখি ও জীবজন্তু তাদের হিংস্রতা পরিহার করে। পারিলেয়্য বনে বর্ষাবাসকালে একটি একাকী হাতি প্রতিদিন বুদ্ধের সেবা করত। বনের ফল সংগ্রহ করে সে বুদ্ধকে দান করত।
এই পারিলেয়্য নামক হস্তীরাজও মনের দুঃখে একাকী পথে এই বনে গমন করে। এ সময় বনের একটি বানর হাতিরাজকে বুদ্ধের সেবা করতে দেখে তার মনেও তথাগত বুদ্ধকে পূজা করার বাসনা জাগে। ভাদ্র পূর্ণিমার দিনে সে একটি মৌচাক সংগ্রহ করে বুদ্ধকে দান করে। মৌচাকে মৌমাছির ছানা ও ডিম থাকায় বুদ্ধ প্রথমে মধু পান করলেন না। বানরটি বিষয়টি বুঝতে পেরে মৌচাকটি নিয়ে ছানা ও ডিম পরিষ্কার করে পুনরায় বুদ্ধকে দান করলে এবার বুদ্ধ মধু পান করেন।
বুদ্ধকে মধুপান করতে দেখে বানরটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে এক বৃক্ষের মগডাল থেকে অন্য মগডালে লাফাতে লাগল। হঠাৎ অসাবধানতাবশত একটি ডাল ভেঙে বানরটি মাটিতে পড়ে যায় এবং গাছের গোড়ায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। বুদ্ধকে মধু দান এবং বুদ্ধের প্রতি প্রসন্নচিত্তে মৃত্যুবরণ করার পর বানরটি তাবতিংস স্বর্গে ত্রিশ যোজন বিস্তৃত কনক বিমান ও সহস্র অপ্সরা লাভ করে বলে বৌদ্ধ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
পারিলেয়্য বনে হাতিরাজ কর্তৃক ভগবান বুদ্ধের সেবা এবং বানরের মধু দানের কারণে এ দিনটি বৌদ্ধদের কাছে এক অবিস্মরণীয়, আনন্দময় ও পুণ্যময় দিন।
বুদ্ধের একাত্মতার নীতির সঙ্গে সুর মিলিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বলেছিলেন, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।’
বনের একটি তির্যক প্রাণী বানর হয়ে বুদ্ধকে মধু দান করে যেখানে তার মহৎ উদারতা ও ত্যাগের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছে, তৃপ্তি পেয়েছে এবং আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছে, সেখানে আমরা মানুষ হয়েও আজ বিপন্ন মানুষের প্রতি সেই উদারতা, ত্যাগ ও দানের মহিমা দেখাতে পারছি না। বিবেকের কাছে আজ প্রশ্ন—মানবতা, সেবা ও ত্যাগে আমরা কি আমাদের চিত্তকে সেভাবে প্রসারিত করতে পারি না?
মহাকারুণিক তথাগত বুদ্ধ তার বাণী ধর্মপদে সকলের হিতসুখ ও মঙ্গলার্থে উপদেশ দিয়ে বলেছেন—
শত্রুতার দ্বারা কখনো শত্রুতার উপশম হয় না। শত্রুতাহীনতা বা মৈত্রীর দ্বারাই শত্রুতা প্রশমিত হয়—এটাই সনাতন ধর্ম।
বিশ্বে এটি ‘মধু পূর্ণিমা’ নামে পরিচিত। এ দিনটি উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায় বিহারে বা কিয়াংয়ে বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল বা অষ্টশীল গ্রহণ, সংঘদান, মধু ও ভেষজ দান, বাতি প্রজ্বালন, ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদানসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করে থাকে। এদিন বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকা ও আবালবৃদ্ধবনিতা মধু দিয়ে বুদ্ধপূজা করেন এবং ভিক্ষুসংঘকে মধু দান করেন। বিহারে সন্ধ্যায় বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা ও প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।
নানা শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ এদিন বুদ্ধ ও ভিক্ষুসংঘকে মধু দানের জন্য উৎসবে মেতে ওঠেন। বিহার বা কিয়াংয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মধু দানের এক আনন্দঘন পরিবেশ দেখা যায়। মধু পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধরা দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেন।
মধু পূর্ণিমার শিক্ষা হলো— দান, সেবা ও একতা সমাজজীবনে যেমন, তেমনি আরণ্য জীবনেও অপরিহার্য। ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য পারস্পরিক সহিষ্ণুতা প্রয়োজন। দান ও সেবা শুধু মানুষের জীবনেই নয়, মানবেতর প্রাণীর জীবনেও পরিবর্তন আনতে পারে। তাই সর্বদা মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষা—এই চার ব্রহ্মবিহার এবং ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পারস্পরিক কল্যাণবোধের মানসিকতা নিয়ে জীবন অতিবাহিত করা উচিত। এতে সবার কল্যাণ সাধিত হয়।
বুদ্ধের জীবনের নানা ঘটনা এবং দান, ত্যাগ ও সেবার নানা মহিমার কারণে দিবসটি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
[লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, তুরুক্কে লতা মেমোরিয়াল বই’য়ো বাআ (পাঠাগার), রাজদ্বীপ, রাঙ্গামাটি]

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ শুভ ভাদ্র পূর্ণিমা বা মধু পূর্ণিমা। বস্তুত, ভাদ্র পূর্ণিমার অপর নাম মধু পূর্ণিমা। ভাদ্র মাসে তথা ভাদ্র পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় বলে এ দিনটির সঙ্গে বুদ্ধযুগের একটি অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা জড়িয়ে আছে। বৌদ্ধ ইতিহাসে এটি একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন। মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।
মহাকারুণিক ভগবান বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের পর মোট ৪৫ বছর বর্ষাব্রত পালন করেন অরণ্য, পর্বত, গুহা, বিহার ইত্যাদি নানা স্থানে। সূত্রপিটকের মহাবর্গের কোশাম্বী স্কন্ধ মতে, মহাকারুণিক তথাগত বুদ্ধ যখন কোশাম্বীর ঘোষিতারামে ভিক্ষুসংঘসহ অবস্থান করছিলেন, সে সময় দুজন পণ্ডিত ভিক্ষু—বিনয়ধরপন্থী ও গ্রন্থধরপন্থী—একটি ক্ষুদ্র বিনয়সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিরোধে জড়িয়ে পড়েন। তাদের শিষ্যমণ্ডলীর মধ্যেও এ নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মতদ্বৈত চরম আকার ধারণ করলে তথাগত বুদ্ধ তাদের বিবাদ মীমাংসার চেষ্টা করেন।
বুদ্ধ দেখলেন, তারা নিজেদের মধ্যে আত্মকলহে জড়িয়ে পড়ায় অনুসারীদের মধ্যেও বিভাজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা সংঘ ও সদ্ধর্মের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বৌদ্ধ পরিভাষায় একেই বলা হয় ‘সংঘভেদ’। কিন্তু উভয় পক্ষ নিজ নিজ মতের পক্ষে অনড় থাকায় বিবাদ মীমাংসা করা সম্ভব হলো না। তখন বুদ্ধ কোশাম্বী ত্যাগ করে পারিলেয়্য নামক বনে গমন করেন এবং সেখানকার ভদ্রশাল নামক বৃক্ষের নিচে দশম বর্ষাবাস গ্রহণ করেন। সেখানে তিনি তিন মাস বর্ষাবাস যাপন ও ধ্যান-সমাধি করেন।
সে বনে ছিল নানা পশুপাখি ও জীবজন্তুর আবাস। বুদ্ধের অপরিমেয় মৈত্রী ও করুণার প্রভাবে বনের সেসব পশুপাখি ও জীবজন্তু তাদের হিংস্রতা পরিহার করে। পারিলেয়্য বনে বর্ষাবাসকালে একটি একাকী হাতি প্রতিদিন বুদ্ধের সেবা করত। বনের ফল সংগ্রহ করে সে বুদ্ধকে দান করত।
এই পারিলেয়্য নামক হস্তীরাজও মনের দুঃখে একাকী পথে এই বনে গমন করে। এ সময় বনের একটি বানর হাতিরাজকে বুদ্ধের সেবা করতে দেখে তার মনেও তথাগত বুদ্ধকে পূজা করার বাসনা জাগে। ভাদ্র পূর্ণিমার দিনে সে একটি মৌচাক সংগ্রহ করে বুদ্ধকে দান করে। মৌচাকে মৌমাছির ছানা ও ডিম থাকায় বুদ্ধ প্রথমে মধু পান করলেন না। বানরটি বিষয়টি বুঝতে পেরে মৌচাকটি নিয়ে ছানা ও ডিম পরিষ্কার করে পুনরায় বুদ্ধকে দান করলে এবার বুদ্ধ মধু পান করেন।
বুদ্ধকে মধুপান করতে দেখে বানরটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে এক বৃক্ষের মগডাল থেকে অন্য মগডালে লাফাতে লাগল। হঠাৎ অসাবধানতাবশত একটি ডাল ভেঙে বানরটি মাটিতে পড়ে যায় এবং গাছের গোড়ায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। বুদ্ধকে মধু দান এবং বুদ্ধের প্রতি প্রসন্নচিত্তে মৃত্যুবরণ করার পর বানরটি তাবতিংস স্বর্গে ত্রিশ যোজন বিস্তৃত কনক বিমান ও সহস্র অপ্সরা লাভ করে বলে বৌদ্ধ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
পারিলেয়্য বনে হাতিরাজ কর্তৃক ভগবান বুদ্ধের সেবা এবং বানরের মধু দানের কারণে এ দিনটি বৌদ্ধদের কাছে এক অবিস্মরণীয়, আনন্দময় ও পুণ্যময় দিন।
বুদ্ধের একাত্মতার নীতির সঙ্গে সুর মিলিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বলেছিলেন, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।’
বনের একটি তির্যক প্রাণী বানর হয়ে বুদ্ধকে মধু দান করে যেখানে তার মহৎ উদারতা ও ত্যাগের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছে, তৃপ্তি পেয়েছে এবং আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছে, সেখানে আমরা মানুষ হয়েও আজ বিপন্ন মানুষের প্রতি সেই উদারতা, ত্যাগ ও দানের মহিমা দেখাতে পারছি না। বিবেকের কাছে আজ প্রশ্ন—মানবতা, সেবা ও ত্যাগে আমরা কি আমাদের চিত্তকে সেভাবে প্রসারিত করতে পারি না?
মহাকারুণিক তথাগত বুদ্ধ তার বাণী ধর্মপদে সকলের হিতসুখ ও মঙ্গলার্থে উপদেশ দিয়ে বলেছেন—
শত্রুতার দ্বারা কখনো শত্রুতার উপশম হয় না। শত্রুতাহীনতা বা মৈত্রীর দ্বারাই শত্রুতা প্রশমিত হয়—এটাই সনাতন ধর্ম।
বিশ্বে এটি ‘মধু পূর্ণিমা’ নামে পরিচিত। এ দিনটি উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায় বিহারে বা কিয়াংয়ে বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল বা অষ্টশীল গ্রহণ, সংঘদান, মধু ও ভেষজ দান, বাতি প্রজ্বালন, ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদানসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করে থাকে। এদিন বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকা ও আবালবৃদ্ধবনিতা মধু দিয়ে বুদ্ধপূজা করেন এবং ভিক্ষুসংঘকে মধু দান করেন। বিহারে সন্ধ্যায় বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা ও প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।
নানা শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ এদিন বুদ্ধ ও ভিক্ষুসংঘকে মধু দানের জন্য উৎসবে মেতে ওঠেন। বিহার বা কিয়াংয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মধু দানের এক আনন্দঘন পরিবেশ দেখা যায়। মধু পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধরা দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেন।
মধু পূর্ণিমার শিক্ষা হলো— দান, সেবা ও একতা সমাজজীবনে যেমন, তেমনি আরণ্য জীবনেও অপরিহার্য। ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য পারস্পরিক সহিষ্ণুতা প্রয়োজন। দান ও সেবা শুধু মানুষের জীবনেই নয়, মানবেতর প্রাণীর জীবনেও পরিবর্তন আনতে পারে। তাই সর্বদা মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষা—এই চার ব্রহ্মবিহার এবং ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পারস্পরিক কল্যাণবোধের মানসিকতা নিয়ে জীবন অতিবাহিত করা উচিত। এতে সবার কল্যাণ সাধিত হয়।
বুদ্ধের জীবনের নানা ঘটনা এবং দান, ত্যাগ ও সেবার নানা মহিমার কারণে দিবসটি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
[লেখক: প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, তুরুক্কে লতা মেমোরিয়াল বই’য়ো বাআ (পাঠাগার), রাজদ্বীপ, রাঙ্গামাটি]

আপনার মতামত লিখুন