পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, একই ফ্লাইটে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ঢাকায় পৌঁছেছেন।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পথে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি শেষে রোববার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তাকে বহনকারী বিমানটি।
এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলায় বক্তব্য দেন। ভাষণে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান বিশদভাবে তুলে ধরেন তিনি।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সংঘাত এড়াতে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সরকারের 'রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন' (থ্রি-আর) পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সম্মানজনক ও নিরাপদ উপায়ে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা আহ্বান জানান।
সফরকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ ও শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তারেক রহমান। বিশ্বনেতাদের মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন তিনি।
সফরের শুরুতে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত প্রাতরাশ সভা এবং পরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও সহধর্মিণীসহ যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, একই ফ্লাইটে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ঢাকায় পৌঁছেছেন।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পথে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি শেষে রোববার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তাকে বহনকারী বিমানটি।
এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলায় বক্তব্য দেন। ভাষণে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান বিশদভাবে তুলে ধরেন তিনি।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সংঘাত এড়াতে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সরকারের 'রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন' (থ্রি-আর) পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সম্মানজনক ও নিরাপদ উপায়ে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা আহ্বান জানান।
সফরকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ ও শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তারেক রহমান। বিশ্বনেতাদের মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন তিনি।
সফরের শুরুতে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত প্রাতরাশ সভা এবং পরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও সহধর্মিণীসহ যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন