ভিডিও বিনিময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব থেকে আয় করার পথ আরও কঠিন হতে যাচ্ছে। কনটেন্ট তৈরি করে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার জন্য প্রচলিত যেসব শর্ত ছিল, সেগুলো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। ফলে নতুন করে যারা এই মাধ্যমে পথচলা শুরু করবেন, তাদের আয়ের মুখ দেখতে এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হবে। ভারতভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউটিউবের বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম’ (ওয়াইপিপি)-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপনের আয় পেতে একজন নির্মাতাকে শেষ ৩৬৫ দিনে অন্তত ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার (ভিডিও দেখার সময়) অথবা শেষ ৯০ দিনে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ‘শর্টস’ ভিউ অর্জন করতে হয়। পাশাপাশি চ্যানেলে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকা বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
তবে প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ইউটিউবের মাধ্যমে আয় শুরু করতে নির্মাতাদের বেশ বেগ পেতে হবে। এতে যোগ্যতা অর্জনের শর্ত দুটি দ্বিগুণ করা হচ্ছে:
ওয়াচ আওয়ার : শেষ ৩৬৫ দিনে কমপক্ষে ৮ হাজার ঘণ্টা।
শর্টস ভিউ: শেষ ৯০ দিনে অন্তত ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ভিউ।
সাবস্ক্রাইবার: সর্বনিম্ন ১ হাজার জন (পূর্বের ন্যায় বহাল)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউটিউবের।
অবশ্য এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের ওপর। যারা এরই মধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত আছেন, তাদের আয়ে এখনই কোনো বড় ধাক্কা আসবে না। তবে যারা আগামী দিনে ইউটিউবকে আয়ের মূল মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য দর্শক তৈরি করা ও আয় শুরু করা এখন দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে।
হঠাৎ এই কঠোর নীতির সুনির্দিষ্ট কারণ ইউটিউব প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, প্ল্যাটফর্মে মানসম্মত কনটেন্ট ধরে রাখা এবং কনটেন্টের ব্যাপকতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ইউটিউবের এই জটিল নিয়মের কারণে তরুণ নির্মাতারা ইনস্টাগ্রাম কিংবা টিকটকের মতো বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকেও ঝুঁকতে পারেন বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভিডিও বিনিময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব থেকে আয় করার পথ আরও কঠিন হতে যাচ্ছে। কনটেন্ট তৈরি করে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার জন্য প্রচলিত যেসব শর্ত ছিল, সেগুলো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। ফলে নতুন করে যারা এই মাধ্যমে পথচলা শুরু করবেন, তাদের আয়ের মুখ দেখতে এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হবে। ভারতভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউটিউবের বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম’ (ওয়াইপিপি)-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিজ্ঞাপনের আয় পেতে একজন নির্মাতাকে শেষ ৩৬৫ দিনে অন্তত ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার (ভিডিও দেখার সময়) অথবা শেষ ৯০ দিনে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ‘শর্টস’ ভিউ অর্জন করতে হয়। পাশাপাশি চ্যানেলে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকা বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
তবে প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ইউটিউবের মাধ্যমে আয় শুরু করতে নির্মাতাদের বেশ বেগ পেতে হবে। এতে যোগ্যতা অর্জনের শর্ত দুটি দ্বিগুণ করা হচ্ছে:
ওয়াচ আওয়ার : শেষ ৩৬৫ দিনে কমপক্ষে ৮ হাজার ঘণ্টা।
শর্টস ভিউ: শেষ ৯০ দিনে অন্তত ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ভিউ।
সাবস্ক্রাইবার: সর্বনিম্ন ১ হাজার জন (পূর্বের ন্যায় বহাল)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে ইউটিউবের।
অবশ্য এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের ওপর। যারা এরই মধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত আছেন, তাদের আয়ে এখনই কোনো বড় ধাক্কা আসবে না। তবে যারা আগামী দিনে ইউটিউবকে আয়ের মূল মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য দর্শক তৈরি করা ও আয় শুরু করা এখন দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে।
হঠাৎ এই কঠোর নীতির সুনির্দিষ্ট কারণ ইউটিউব প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, প্ল্যাটফর্মে মানসম্মত কনটেন্ট ধরে রাখা এবং কনটেন্টের ব্যাপকতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ইউটিউবের এই জটিল নিয়মের কারণে তরুণ নির্মাতারা ইনস্টাগ্রাম কিংবা টিকটকের মতো বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকেও ঝুঁকতে পারেন বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।

আপনার মতামত লিখুন