ফেনীর দাগনভূঞায় নিখোঁজ হওয়ার পর সাইমুন ইসলাম সাব্বির (১৪) নামের এক কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে দাগনভূঞা থানা-পুলিশ। সে দাগনভূঞা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উদরাজপুর গ্রামের নুরুল আমিন বাহার ও সালমা বেগম দম্পতির ছেলে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দাগনভূঞা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানের নির্দেশনায় পুলিশের মোবাইল ডিউটি টিম ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ প্রচেষ্টায় কিশোরটিকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের পর থেকেই তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছিল। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে দ্রুত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাবার জিম্মায় বুঝিয়ে দেয়। হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাবা নুরুল আমিন বাহার। তিনি পুলিশ ও স্থানীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, পুলিশ ও জনগণের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে দ্রুত কিশোরটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জনবান্ধব ও সেবামূলক পুলিশিং নিশ্চিতে পুলিশ সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেনীর দাগনভূঞায় নিখোঁজ হওয়ার পর সাইমুন ইসলাম সাব্বির (১৪) নামের এক কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে দাগনভূঞা থানা-পুলিশ। সে দাগনভূঞা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উদরাজপুর গ্রামের নুরুল আমিন বাহার ও সালমা বেগম দম্পতির ছেলে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দাগনভূঞা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানের নির্দেশনায় পুলিশের মোবাইল ডিউটি টিম ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যৌথ প্রচেষ্টায় কিশোরটিকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের পর থেকেই তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছিল। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে দ্রুত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাবার জিম্মায় বুঝিয়ে দেয়। হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাবা নুরুল আমিন বাহার। তিনি পুলিশ ও স্থানীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান জানান, পুলিশ ও জনগণের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে দ্রুত কিশোরটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জনবান্ধব ও সেবামূলক পুলিশিং নিশ্চিতে পুলিশ সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন