সংবাদ

প্রাথমিকে বাদ পড়া শিক্ষকদের পাশে ইউটিএল


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পিএম

প্রাথমিকে বাদ পড়া শিক্ষকদের পাশে ইউটিএল
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। শিক্ষক সংগঠনটি অবিলম্বে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ এবং বাদ পড়া প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে ইউটিএল-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে শিক্ষাবিদরা বলেন, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক বৈষম্য কিংবা হয়রানি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলে তার সুনির্দিষ্ট আইনগত কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত। ভেরিফিকেশন কখনো মতাদর্শিক বাছাই বা বৈষম্যের হাতিয়ার হতে পারে না।

তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতামত বা সরকারের সঙ্গে ভিন্নমতের কারণে কাউকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ ছাড়া কেবল অনুমান বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য নয়। বিগত ১৭ বছর তথাকথিত গোপন প্রতিবেদনের নামে নাগরিকদের অধিকার হরণ করা হয়েছে, যার পুনরাবৃত্তি আর হওয়া উচিত নয়। সরকারি সংস্থার কোনো প্রতিবেদনের কারণে নিয়োগ বাতিল করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

বিবৃতিতে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ইউটিএল নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগব্যবস্থা গড়ে তোলা সরকারের দায়িত্ব। সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার হতে পারে না।

এমতাবস্থায়, ভেরিফিকেশনের নাম বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে ইউটিএল। তারা মনে করেন, বৈষম্যমূলক এই বাছাই প্রক্রিয়া নতুন বাংলাদেশের ইনসাফভিত্তিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


প্রাথমিকে বাদ পড়া শিক্ষকদের পাশে ইউটিএল

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। শিক্ষক সংগঠনটি অবিলম্বে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ এবং বাদ পড়া প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে ইউটিএল-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে শিক্ষাবিদরা বলেন, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক বৈষম্য কিংবা হয়রানি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলে তার সুনির্দিষ্ট আইনগত কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত। ভেরিফিকেশন কখনো মতাদর্শিক বাছাই বা বৈষম্যের হাতিয়ার হতে পারে না।

তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতামত বা সরকারের সঙ্গে ভিন্নমতের কারণে কাউকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ ছাড়া কেবল অনুমান বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য নয়। বিগত ১৭ বছর তথাকথিত গোপন প্রতিবেদনের নামে নাগরিকদের অধিকার হরণ করা হয়েছে, যার পুনরাবৃত্তি আর হওয়া উচিত নয়। সরকারি সংস্থার কোনো প্রতিবেদনের কারণে নিয়োগ বাতিল করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

বিবৃতিতে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ইউটিএল নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগব্যবস্থা গড়ে তোলা সরকারের দায়িত্ব। সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার হতে পারে না।

এমতাবস্থায়, ভেরিফিকেশনের নাম বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে ইউটিএল। তারা মনে করেন, বৈষম্যমূলক এই বাছাই প্রক্রিয়া নতুন বাংলাদেশের ইনসাফভিত্তিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত