‘ট্রান্সফর্ম, গ্রোথ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। সাত বছরের পথচলার অর্জন, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে আধুনিক, গ্রাহককেন্দ্রিক, দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যাংকিংয়ের নতুন প্রত্যয় নিয়ে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শেয়ারহোল্ডার, কর্পোরেট ক্লায়েন্ট ও স্টেকহোল্ডারেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘Transform, Growth & Sustainability শুধু আমাদের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নয়; এটি আগামী দিনের কমিউনিটি ব্যাংকের পথচলার কৌশলগত অঙ্গীকার। আমরা এমন একটি ব্যাংক গড়ে তুলতে চাই, যেখানে পরিবর্তন হবে উন্নতির চালিকাশক্তি, প্রবৃদ্ধি হবে মানুষের ও ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরির মাধ্যম এবং Sustainability হবে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার ভিত্তি।’
তিনি বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকের ট্রান্সফরমেশন কেবল প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং চিন্তাধারা, কাজের পদ্ধতি, সেবার সংস্কৃতি এবং গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হবে। গ্রোথের অর্থ শুধু ব্যবসার পরিধি বাড়ানো নয়; বরং ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহকের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান আরও বিস্তৃত করা। একই সঙ্গে টেকসই ব্যবস্থা হবে ব্যাংকের প্রতিটি সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যাতে দায়িত্বশীল ব্যবসা, দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী ও টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে দক্ষতা ও সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। তিনি ব্যাংকের গ্রাহকসেবা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ব্যাংকিংয়ের মূল লক্ষ্য হতে হবে মানুষের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিউনিটি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রমকে আরও অর্থবহ ও জনকল্যাণমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সিএসআর কার্যক্রম যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং এর প্রতিটি উদ্যোগ ও বিনিয়োগ যেন প্রকৃত অর্থে মানুষের সেবা, জীবনমানের উন্নয়ন এবং সমাজের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কাজে আসে। মানুষের বাস্তব প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে সিএসআর কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার মাধ্যমে একটি ব্যাংক তার সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আগামী দিনের পথচলায় কমিউনিটি ব্যাংক আরও আস্থাশীল, দক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি ব্যাংকের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকা এবং দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার দিকনির্দেশনা এবং গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে প্রযুক্তি কিংবা পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রতিদিন দায়িত্ব পালনকারী মানুষের শ্রম, সততা, নিষ্ঠা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। কমিউনিটি ব্যাংকের প্রতিটি অর্জনের পেছনে এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস প্রচেষ্টার গল্প রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, গ্রাহকের পরিবর্তিত প্রত্যাশা এবং অর্থনীতির নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কমিউনিটি ব্যাংককে আরও দক্ষ, উদ্ভাবনী ও মানবিক হতে হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা শুধু একটি ব্যাংক বড় করতে চাই না; আমরা এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যার সঙ্গে মানুষের আস্থা, ব্যবসার সম্ভাবনা এবং দেশের অগ্রগতি একসূত্রে যুক্ত।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ফিন্যান্স) মো. আকরাম হোসেন, বিপিএম (সেবা) এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। বক্তারা ব্যাংকের সুশাসন, দায়িত্বশীল ব্যাংকিং, আর্থিক শৃঙ্খলা, গ্রাহকসেবা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের দুটি নতুন সেবা—‘কমিউনিটি বাইক লোন’ এবং ‘কমিউনিটি স্বপ্নের বাড়ি’—আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশের এএসআই থেকে ইন্সপেক্টর এবং সমমর্যাদার নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত সদস্যদের মোটরসাইকেল ক্রয়ের বিশেষ ঋণসুবিধা হলো ‘কমিউনিটি বাইক লোন’। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিকল্পিত আবাসন ঋণসুবিধা ‘কমিউনিটি স্বপ্নের বাড়ি’।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতে সেরা কর্পোরেট ক্লায়েন্ট, সেরা শাখা/উপশাখা এবং সেরা কর্মী—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ট্রান্সফর্ম, গ্রোথ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। সাত বছরের পথচলার অর্জন, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে আধুনিক, গ্রাহককেন্দ্রিক, দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যাংকিংয়ের নতুন প্রত্যয় নিয়ে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শেয়ারহোল্ডার, কর্পোরেট ক্লায়েন্ট ও স্টেকহোল্ডারেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘Transform, Growth & Sustainability শুধু আমাদের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নয়; এটি আগামী দিনের কমিউনিটি ব্যাংকের পথচলার কৌশলগত অঙ্গীকার। আমরা এমন একটি ব্যাংক গড়ে তুলতে চাই, যেখানে পরিবর্তন হবে উন্নতির চালিকাশক্তি, প্রবৃদ্ধি হবে মানুষের ও ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরির মাধ্যম এবং Sustainability হবে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার ভিত্তি।’
তিনি বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকের ট্রান্সফরমেশন কেবল প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং চিন্তাধারা, কাজের পদ্ধতি, সেবার সংস্কৃতি এবং গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হবে। গ্রোথের অর্থ শুধু ব্যবসার পরিধি বাড়ানো নয়; বরং ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহকের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান আরও বিস্তৃত করা। একই সঙ্গে টেকসই ব্যবস্থা হবে ব্যাংকের প্রতিটি সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যাতে দায়িত্বশীল ব্যবসা, দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী ও টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে দক্ষতা ও সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। তিনি ব্যাংকের গ্রাহকসেবা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ব্যাংকিংয়ের মূল লক্ষ্য হতে হবে মানুষের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিউনিটি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রমকে আরও অর্থবহ ও জনকল্যাণমুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সিএসআর কার্যক্রম যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং এর প্রতিটি উদ্যোগ ও বিনিয়োগ যেন প্রকৃত অর্থে মানুষের সেবা, জীবনমানের উন্নয়ন এবং সমাজের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কাজে আসে। মানুষের বাস্তব প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে সিএসআর কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার মাধ্যমে একটি ব্যাংক তার সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আগামী দিনের পথচলায় কমিউনিটি ব্যাংক আরও আস্থাশীল, দক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি ব্যাংকের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকা এবং দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার দিকনির্দেশনা এবং গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে প্রযুক্তি কিংবা পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রতিদিন দায়িত্ব পালনকারী মানুষের শ্রম, সততা, নিষ্ঠা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। কমিউনিটি ব্যাংকের প্রতিটি অর্জনের পেছনে এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস প্রচেষ্টার গল্প রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, গ্রাহকের পরিবর্তিত প্রত্যাশা এবং অর্থনীতির নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কমিউনিটি ব্যাংককে আরও দক্ষ, উদ্ভাবনী ও মানবিক হতে হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা শুধু একটি ব্যাংক বড় করতে চাই না; আমরা এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যার সঙ্গে মানুষের আস্থা, ব্যবসার সম্ভাবনা এবং দেশের অগ্রগতি একসূত্রে যুক্ত।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ফিন্যান্স) মো. আকরাম হোসেন, বিপিএম (সেবা) এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। বক্তারা ব্যাংকের সুশাসন, দায়িত্বশীল ব্যাংকিং, আর্থিক শৃঙ্খলা, গ্রাহকসেবা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের দুটি নতুন সেবা—‘কমিউনিটি বাইক লোন’ এবং ‘কমিউনিটি স্বপ্নের বাড়ি’—আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশের এএসআই থেকে ইন্সপেক্টর এবং সমমর্যাদার নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত সদস্যদের মোটরসাইকেল ক্রয়ের বিশেষ ঋণসুবিধা হলো ‘কমিউনিটি বাইক লোন’। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিকল্পিত আবাসন ঋণসুবিধা ‘কমিউনিটি স্বপ্নের বাড়ি’।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যকে স্বীকৃতি দিতে সেরা কর্পোরেট ক্লায়েন্ট, সেরা শাখা/উপশাখা এবং সেরা কর্মী—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন