চট্টগ্রাম জেলাজুড়ে কিশোর অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে ১৭টি থানায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এই অভিযানে মোট ৪৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে অপরাধে জড়িত ৬১ জন কিশোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২৯৩ জন কিশোরকে সতর্ক করে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানা এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, খেলার মাঠ এবং নির্জন আড্ডাস্থলগুলোতে এ অভিযান চালানো হয়। চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানে আড্ডারত ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত মোট ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়। অপরাধে প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ৬১ জন কিশোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে আরও ৯১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান শেষে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের থানায় ডেকে তাদের সন্তানদের চলাফেরা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার এবং বন্ধুবান্ধবের ওপর কড়া নজর রাখার আহ্বান জানায় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, তরুণ সমাজকে অপরাধ ও মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশের এ ধরনের সচেতনতামূলক ও অভিযানমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম জেলাজুড়ে কিশোর অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে ১৭টি থানায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এই অভিযানে মোট ৪৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে অপরাধে জড়িত ৬১ জন কিশোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২৯৩ জন কিশোরকে সতর্ক করে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানা এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, খেলার মাঠ এবং নির্জন আড্ডাস্থলগুলোতে এ অভিযান চালানো হয়। চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানে আড্ডারত ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত মোট ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর মধ্যে ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়। অপরাধে প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ৬১ জন কিশোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে আরও ৯১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান শেষে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের থানায় ডেকে তাদের সন্তানদের চলাফেরা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার এবং বন্ধুবান্ধবের ওপর কড়া নজর রাখার আহ্বান জানায় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, তরুণ সমাজকে অপরাধ ও মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশের এ ধরনের সচেতনতামূলক ও অভিযানমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন