মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সহধর্মিণী তুন ড. সিতি হাসমাহ মোহাম্মদ আলী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
১০০ বছর বয়সে কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে (আইজেএন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরহুমার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হবে।
আজ সোমবার এক সরকারি বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ড. সিতি হাসমাহর প্রয়াণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি সরকারের প্রধান সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানকে মরহুমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজনের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সরকার ও পুরো মালয়েশীয় জনগণের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, "দেশের মানুষ ড. সিতি হাসমাহর মাতৃসুলভ উপস্থিতি স্মরণ করবে এবং দেশের প্রতি তার অবদানকে সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে মূল্যায়ন করবে।"
১৯২৬ সালের ১২ জুলাই সেলাঙ্গরের ক্লাং এলাকায় জন্মগ্রহণ করা ডা. সিতি হাসমাহ সিঙ্গাপুরের ঐতিহাসিক কিং এডওয়ার্ড সপ্তম কলেজ অব মেডিসিন থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে মালয় নারীদের চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ও অনুপ্রেরণাদায়ক ভূমিকা পালন করেন।
১৯৫৬ সালে ড. মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সিতি হাসমাহ। দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনে মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পাশে থাকার পাশাপাশি তিনি দেশের বিভিন্ন সামাজিক, জনকল্যাণমূলক ও নারী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। মাহাথির মোহাম্মদ দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালে প্রথম নারী হিসেবে ড. সিতি হাসমাহ অত্যন্ত সম্মান ও পরিচিতি লাভ করেন।
এক শতাব্দীর জীবনের সমাপ্তিতে আজ সমগ্র মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রীয় সম্মানে শেষ বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটছে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সুপরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের পথচলা।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সহধর্মিণী তুন ড. সিতি হাসমাহ মোহাম্মদ আলী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
১০০ বছর বয়সে কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে (আইজেএন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরহুমার শেষকৃত্য সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হবে।
আজ সোমবার এক সরকারি বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ড. সিতি হাসমাহর প্রয়াণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি সরকারের প্রধান সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানকে মরহুমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়োজনের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সরকার ও পুরো মালয়েশীয় জনগণের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, "দেশের মানুষ ড. সিতি হাসমাহর মাতৃসুলভ উপস্থিতি স্মরণ করবে এবং দেশের প্রতি তার অবদানকে সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে মূল্যায়ন করবে।"
১৯২৬ সালের ১২ জুলাই সেলাঙ্গরের ক্লাং এলাকায় জন্মগ্রহণ করা ডা. সিতি হাসমাহ সিঙ্গাপুরের ঐতিহাসিক কিং এডওয়ার্ড সপ্তম কলেজ অব মেডিসিন থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে মালয় নারীদের চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য খাতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ও অনুপ্রেরণাদায়ক ভূমিকা পালন করেন।
১৯৫৬ সালে ড. মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সিতি হাসমাহ। দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনে মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পাশে থাকার পাশাপাশি তিনি দেশের বিভিন্ন সামাজিক, জনকল্যাণমূলক ও নারী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। মাহাথির মোহাম্মদ দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালে প্রথম নারী হিসেবে ড. সিতি হাসমাহ অত্যন্ত সম্মান ও পরিচিতি লাভ করেন।
এক শতাব্দীর জীবনের সমাপ্তিতে আজ সমগ্র মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রীয় সম্মানে শেষ বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটছে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সুপরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের পথচলা।

আপনার মতামত লিখুন