নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সুবরাজপুর উচ্চবিদ্যালয়ে বিধি লঙ্ঘন করে সহকারী প্রধান শিক্ষককে পাশ কাটিয়ে এক সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সুরুজ হোসেন চৌধুরী ও ওই সহকারী শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাদ্দেক হাসান।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম অবসরে গেলে বিধি অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাদ্দেক হাসান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। তবে পরদিন এডহক কমিটির সভাপতি বহিরাগতদের নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসকে দায়িত্ব দেন। জালিয়াতি করে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রতিবাদ জানালে উল্টো সহকারী প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে নিষেধ করা হয়।
বিশ্বনাথ দাসের বিএড সনদ জাল এবং চার সদস্যের এডহক কমিটির দুই সদস্য না থাকা সত্ত্বেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাহাদত হোসেন তদন্ত শেষে জানান, সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় অন্য শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনি। এডহক কমিটি এভাবে বরখাস্ত করতে পারে না। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদেও বিষয়টি উত্থাপিত হলেও এখনো কোনো দৃশ্যমান সমাধান মেলেনি।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সুবরাজপুর উচ্চবিদ্যালয়ে বিধি লঙ্ঘন করে সহকারী প্রধান শিক্ষককে পাশ কাটিয়ে এক সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সুরুজ হোসেন চৌধুরী ও ওই সহকারী শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাদ্দেক হাসান।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম অবসরে গেলে বিধি অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাদ্দেক হাসান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। তবে পরদিন এডহক কমিটির সভাপতি বহিরাগতদের নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসকে দায়িত্ব দেন। জালিয়াতি করে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রতিবাদ জানালে উল্টো সহকারী প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে নিষেধ করা হয়।
বিশ্বনাথ দাসের বিএড সনদ জাল এবং চার সদস্যের এডহক কমিটির দুই সদস্য না থাকা সত্ত্বেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাহাদত হোসেন তদন্ত শেষে জানান, সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় অন্য শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনি। এডহক কমিটি এভাবে বরখাস্ত করতে পারে না। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদেও বিষয়টি উত্থাপিত হলেও এখনো কোনো দৃশ্যমান সমাধান মেলেনি।

আপনার মতামত লিখুন