হৃদরোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আজ ২৯ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস। হৃদরোগের বিভিন্ন ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে জানানো, রোগটি প্রতিরোধে সচেতন করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
বর্তমানে হৃদরোগ বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ধূমপান, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে এসব ঝুঁকির অনেকটাই কমানো সম্ভব।
হৃদস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।
যাদের হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম অথবা হঠাৎ দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
হৃদপিণ্ড দিবসের মূল বার্তা হলো—হৃদযন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করতে শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে সচেতন হলেই হবে না। প্রতিদিনের জীবনযাপনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখা এবং প্রয়োজনের সময় চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে হৃদস্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সম্ভব।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হৃদরোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আজ ২৯ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস। হৃদরোগের বিভিন্ন ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে জানানো, রোগটি প্রতিরোধে সচেতন করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
বর্তমানে হৃদরোগ বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ধূমপান, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে এসব ঝুঁকির অনেকটাই কমানো সম্ভব।
হৃদস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।
যাদের হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম অথবা হঠাৎ দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
হৃদপিণ্ড দিবসের মূল বার্তা হলো—হৃদযন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করতে শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে সচেতন হলেই হবে না। প্রতিদিনের জীবনযাপনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখা এবং প্রয়োজনের সময় চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে হৃদস্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন