আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া ৫ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রতিমার রূপ ও সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।
উপজেলার নেগরিকান্দি গ্রামের মন্টু পালের মতো অনেক ভাস্কর মৃৎশিল্পী মণ্ডপে মণ্ডপে দেব-দেবী ও অসুরের অবয়ব তৈরিতে ব্যস্ত। খড়, বাঁশ ও কাঁদা-মাটির কাজ শেষ করে চলছে রং এবং তুলির নিখুঁত আঁচড়।
এ বছর ঘিওর উপজেলার ৮৪টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের চেয়ে একটি বেশি। পঞ্জিকা মতে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন নৌকায়।
ঘিওরের বানিয়াজুরী অমূল্য মালাকারের বাড়ি, শতদল সংঘ, ঘিওর লোকনাথ মন্দির ও কচি কাঁচার উদ্যোগে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রতিমা তৈরি হচ্ছে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিচ্ছিন্দ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটি মন্দিরে পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের পাশাপাশি থাকবে মোবাইল টিম।
ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাশিতাতুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব বিভেদ ভুলে ঘিউরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ঘিওর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট শচীন্দ্রনাথ মিত্র।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া ৫ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রতিমার রূপ ও সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।
উপজেলার নেগরিকান্দি গ্রামের মন্টু পালের মতো অনেক ভাস্কর মৃৎশিল্পী মণ্ডপে মণ্ডপে দেব-দেবী ও অসুরের অবয়ব তৈরিতে ব্যস্ত। খড়, বাঁশ ও কাঁদা-মাটির কাজ শেষ করে চলছে রং এবং তুলির নিখুঁত আঁচড়।
এ বছর ঘিওর উপজেলার ৮৪টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের চেয়ে একটি বেশি। পঞ্জিকা মতে, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন নৌকায়।
ঘিওরের বানিয়াজুরী অমূল্য মালাকারের বাড়ি, শতদল সংঘ, ঘিওর লোকনাথ মন্দির ও কচি কাঁচার উদ্যোগে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রতিমা তৈরি হচ্ছে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিচ্ছিন্দ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটি মন্দিরে পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের পাশাপাশি থাকবে মোবাইল টিম।
ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাশিতাতুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব বিভেদ ভুলে ঘিউরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ঘিওর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট শচীন্দ্রনাথ মিত্র।

আপনার মতামত লিখুন