কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধানখেতের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল আটটার দিকে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে কামালপুর মাঠের নির্জন সড়ক দিয়ে কাজ করতে যাচ্ছিলেন স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ। এ সময় কয়েকটি শেয়ালকে একটি বস্তু ঘিরে টানাটানি করতে দেখে তিনি এগিয়ে যান। মানুষ আসতে দেখে শেয়ালগুলো পালিয়ে যায়। কাছে গিয়ে ঘাস ও খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় ওই যুবকের মরদেহ দেখতে পান তিনি।
মরদেহের একাংশ শেয়াল খুবলে খেয়েছিল। দৃশ্যটি দেখে ওই কৃষক চিৎকার দিলে আশপাশের খেতে কাজ করা অন্য কৃষকেরা ছুটে আসেন। পরে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি তদন্ত দলও কাজ শুরু করেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, আনুমানিক দুই থেকে তিন দিন আগের হওয়ায় লাশে পচন ধরেছে। মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধানখেতের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল আটটার দিকে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে কামালপুর মাঠের নির্জন সড়ক দিয়ে কাজ করতে যাচ্ছিলেন স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ। এ সময় কয়েকটি শেয়ালকে একটি বস্তু ঘিরে টানাটানি করতে দেখে তিনি এগিয়ে যান। মানুষ আসতে দেখে শেয়ালগুলো পালিয়ে যায়। কাছে গিয়ে ঘাস ও খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় ওই যুবকের মরদেহ দেখতে পান তিনি।
মরদেহের একাংশ শেয়াল খুবলে খেয়েছিল। দৃশ্যটি দেখে ওই কৃষক চিৎকার দিলে আশপাশের খেতে কাজ করা অন্য কৃষকেরা ছুটে আসেন। পরে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি তদন্ত দলও কাজ শুরু করেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, আনুমানিক দুই থেকে তিন দিন আগের হওয়ায় লাশে পচন ধরেছে। মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন