জন্মসনদসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদানে প্রকাশ্য ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির অভিযোগে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রশাসক খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতারা। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
পরে খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত প্রশাসককে উদ্ধার করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে গেলে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেলকে ইউপি প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ কায়েম এবং গর্ভকালীন ভাতার নাম অন্তর্ভুক্তির মতো সেবায় নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে দিনের পর দিন ঘুরতে হতো সেবাগ্রহীতাদের।
শুধু সাধারণ মানুষই নন, ইউপির নারী সদস্যরাও তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এনেছেন। হেনাফ বেগম, নিলুফা বেগম ও নিপা বেগম নামের তিন নারী সদস্য জানান, মাসিক সম্মানী ভাতা তুলতেও তাদের ইউপি প্রশাসককে ঘুষ দিতে হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউপি প্রশাসক খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেল অবশ্য সব অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।
তবে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা জানান, প্রাথমিক তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জন্মসনদসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদানে প্রকাশ্য ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির অভিযোগে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রশাসক খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতারা। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
পরে খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত প্রশাসককে উদ্ধার করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপনে গেলে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেলকে ইউপি প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ কায়েম এবং গর্ভকালীন ভাতার নাম অন্তর্ভুক্তির মতো সেবায় নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে দিনের পর দিন ঘুরতে হতো সেবাগ্রহীতাদের।
শুধু সাধারণ মানুষই নন, ইউপির নারী সদস্যরাও তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এনেছেন। হেনাফ বেগম, নিলুফা বেগম ও নিপা বেগম নামের তিন নারী সদস্য জানান, মাসিক সম্মানী ভাতা তুলতেও তাদের ইউপি প্রশাসককে ঘুষ দিতে হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউপি প্রশাসক খান মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেল অবশ্য সব অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।
তবে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা জানান, প্রাথমিক তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন