সংবাদ

দখল-চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হতে হবে


প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ এএম

দখল-চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হতে হবে

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল গত বৃহস্পতিবার। এর রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় নতুন করে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ সামনে এসেছে। একই সময়ে কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টিআইবিও এসব ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।

বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান দখল বা ভাঙচুরের শিকার হলে সাধারণ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগও কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।

দখল ও চাঁদাবাজি শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়। এর সঙ্গে অর্থনীতি, জননিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রশ্ন জড়িত। কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করতে পারলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। ফলে অপরাধী যে দলেরই হোক, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

সাম্প্রতিক ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সেখান থেকে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর ঘটনায়ও গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি চাঁদাবাজির অভিযোগকে ঢালাও না করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

আমরা বলতে চাই, দখল, চাঁদাবাজি, হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিটি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হেবে। রাজনৈতিক পরিচয় যেন কারও দায়মুক্তির কারণ না হয়, আবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানিও করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে দখল ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দখল-চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল গত বৃহস্পতিবার। এর রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় নতুন করে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ সামনে এসেছে। একই সময়ে কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টিআইবিও এসব ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।

বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান দখল বা ভাঙচুরের শিকার হলে সাধারণ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগও কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।

দখল ও চাঁদাবাজি শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়। এর সঙ্গে অর্থনীতি, জননিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রশ্ন জড়িত। কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করতে পারলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। ফলে অপরাধী যে দলেরই হোক, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

সাম্প্রতিক ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সেখান থেকে লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর ঘটনায়ও গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি চাঁদাবাজির অভিযোগকে ঢালাও না করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

আমরা বলতে চাই, দখল, চাঁদাবাজি, হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিটি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হেবে। রাজনৈতিক পরিচয় যেন কারও দায়মুক্তির কারণ না হয়, আবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানিও করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে দখল ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটানো সম্ভব।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত