মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ উঠেছে। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ফার্মাসিস্টদের ওপর নির্ভর করেই কোনো রকমে চলছে এসব কেন্দ্র। ফলে সেবা প্রত্যাশী মানুষ সরকারি প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ধানকোড়া, চরতিল্লি ও দ্বিমুখা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকেরা নিজ কর্মস্থলে না থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করছেন। তিল্লি ও দরগ্রামের চিকিৎসকেরাও নিজ কর্মস্থলে নেই। আর বালিয়াটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। ধানকোড়া কেন্দ্রে তিন বছর ধরে মেডিকেল অফিসারের কক্ষে তালা ঝুলছে।
গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য এসব উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অসুস্থতার জন্যও যদি তাদের উপজেলা বা জেলা সদরে যেতে হয় তাহলে সময় ও টাকার অপচয় হয়। বিশেষ করে দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষদের ভোগান্তি আরও বেশি। চিকিৎসকের অনুপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও কমতে পারে।
চিকিৎসকের সংকট থাকলে প্রশাসনিক প্রয়োজনে তাদের অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এমনটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ঘাটতি নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তাই দ্রুত চিকিৎসকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরানো জরুরি।
শুধু চিকিৎসক পদায়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকছেন কি না সেটাও দেখতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম লক্ষ্য মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া। সাটুরিয়ার উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে কার্যকর করে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ উঠেছে। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ফার্মাসিস্টদের ওপর নির্ভর করেই কোনো রকমে চলছে এসব কেন্দ্র। ফলে সেবা প্রত্যাশী মানুষ সরকারি প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ধানকোড়া, চরতিল্লি ও দ্বিমুখা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকেরা নিজ কর্মস্থলে না থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করছেন। তিল্লি ও দরগ্রামের চিকিৎসকেরাও নিজ কর্মস্থলে নেই। আর বালিয়াটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। ধানকোড়া কেন্দ্রে তিন বছর ধরে মেডিকেল অফিসারের কক্ষে তালা ঝুলছে।
গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য এসব উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অসুস্থতার জন্যও যদি তাদের উপজেলা বা জেলা সদরে যেতে হয় তাহলে সময় ও টাকার অপচয় হয়। বিশেষ করে দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষদের ভোগান্তি আরও বেশি। চিকিৎসকের অনুপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও কমতে পারে।
চিকিৎসকের সংকট থাকলে প্রশাসনিক প্রয়োজনে তাদের অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এমনটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ঘাটতি নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তাই দ্রুত চিকিৎসকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরানো জরুরি।
শুধু চিকিৎসক পদায়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকছেন কি না সেটাও দেখতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম লক্ষ্য মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া। সাটুরিয়ার উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে কার্যকর করে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন