বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসে তুলে অপহণের পাঁচ দিন পর ১০ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী আঁখি মনিকে (১৬) উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) শেরপুর উপজেলার চকপোতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রিয়াদ হোসেনের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রিয়াদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও অপহৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আঁখি মনি শেরপুর শহরের একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে চকপোতা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ হোসেন (২০) দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি রিয়াদের পরিবারকে জানানো হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হয় আঁখি মনি। চকপোতা গ্রামের একটি দোকানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া রিয়াদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
যথাসময়ে বিদ্যালয়ে ও বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–রিয়াদ হোসেনের মা ফরিদা বেগম (৪০), একই এলাকার হাফিজার রহমান (৫৫), রিয়াদের ভাই জিহাদ হোসেন (২৫) এবং কহিনুর বেগম ওরফে জেসমিন (৪০)।
মামলা দায়েরের পরদিন রোববার অভিযান চালিয়ে রিয়াদ হোসেনের বাড়ি থেকেই আঁখি মনিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে স্থানীয় ব্যক্তিদের একাংশের দাবি, রিয়াদ ও ওই ছাত্রীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি নিজের ইচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে এসেছে এবং তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে মেয়েটি দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হওয়ায় এখনও তার বিয়ের বয়স হয়নি।
শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাদীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসে তুলে অপহণের পাঁচ দিন পর ১০ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী আঁখি মনিকে (১৬) উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) শেরপুর উপজেলার চকপোতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রিয়াদ হোসেনের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রিয়াদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও অপহৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আঁখি মনি শেরপুর শহরের একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে চকপোতা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ হোসেন (২০) দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি রিয়াদের পরিবারকে জানানো হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হয় আঁখি মনি। চকপোতা গ্রামের একটি দোকানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া রিয়াদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
যথাসময়ে বিদ্যালয়ে ও বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–রিয়াদ হোসেনের মা ফরিদা বেগম (৪০), একই এলাকার হাফিজার রহমান (৫৫), রিয়াদের ভাই জিহাদ হোসেন (২৫) এবং কহিনুর বেগম ওরফে জেসমিন (৪০)।
মামলা দায়েরের পরদিন রোববার অভিযান চালিয়ে রিয়াদ হোসেনের বাড়ি থেকেই আঁখি মনিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে স্থানীয় ব্যক্তিদের একাংশের দাবি, রিয়াদ ও ওই ছাত্রীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি নিজের ইচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে এসেছে এবং তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে মেয়েটি দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হওয়ায় এখনও তার বিয়ের বয়স হয়নি।
শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বাদীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন