সংবাদ

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন


শাহাদৎ হোসেন
শাহাদৎ হোসেন
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন

প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। সে অনুযায়ী ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। শহর ও নগরের বর্তমান অবস্থা, সবার জন্য উপযুক্ত বাসস্থানের মৌলিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ নগর গড়ে তোলায় মানুষের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানব বসতির বর্তমান অবস্থা, পর্যাপ্ত আবাসন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টিও দিবসটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৮৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ১১৯তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ৪০/২০২ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৮৬ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ দ্রুত নগরায়ণ এবং বিশেষ করে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরুণ জনগোষ্ঠীর নগরমুখী হওয়ার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবে। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা আরও জরুরি হয়ে উঠবে।

এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত বাসস্থান’। পর্যাপ্ত আবাসন নিশ্চিত করতে নিম্ন আয়ের পরিবার, গৃহহীন মানুষ, দুর্যোগ ও সংকটকবলিত জনগোষ্ঠী এবং বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে থাকা মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এর পাশাপাশি প্রয়োজন ভূমির মালিকানা ও দখলের নিরাপত্তা, সুপরিকল্পিত ও নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন আবাসিক এলাকা এবং সামাজিক, সরকারি, ভাড়াভিত্তিক, সমবায় ও বাজারভিত্তিক আবাসনের সুযোগ। আবাসনব্যবস্থা হতে হবে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু-সহনশীল, নিরাপদ ও মানসম্মত।

জাতিসংঘের ‘আরবান অক্টোবর’ কর্মসূচির সূচনাও বিশ্ব বসতি দিবসের মধ্য দিয়ে। অক্টোবর মাসজুড়ে নগরায়ণ, আবাসন ও টেকসই নগর উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য হলো সরকার, স্থানীয় সম্প্রদায়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নগর উন্নয়নে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা। সমন্বিত আবাসন কৌশল, বহুস্তরীয় শাসনব্যবস্থা, সহায়ক আইন ও নীতি, নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত এবং পর্যাপ্ত অর্থায়ন ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

জাতিসংঘের আবাসনবিষয়ক ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ১২ লাখ মানুষ বস্তির পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে। একই সময়ে ৫ কোটি ৩০ লাখ মানুষ উন্নত পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা পেয়েছে এবং ৪ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি পরিবার ভূমির মালিকানা বা দখলের আইনি অধিকার পেয়েছে। তবে বৈশ্বিক আবাসন সংকট এখনো তীব্র। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ২৮০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের আবাসন-সংক্রান্ত অপর্যাপ্ততার মধ্যে ছিল। এর মধ্যে প্রায় ১১০ কোটি মানুষ বস্তি ও অনানুষ্ঠানিক আবাসনে বসবাস করছে। বিশ্বে প্রায় ৩১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ গৃহহীন। অন্যদিকে প্রতি পাঁচটি পরিবারের একটি তাদের ব্যয়যোগ্য আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি আবাসনের পেছনে ব্যয় করছে। এতে পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা কমছে এবং ঋণের ঝুঁকি বাড়ছে।

বাংলাদেশেও আবাসন ও মানব বসতি নিয়ে নানা নীতি ও আইন রয়েছে। জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা-২০১৬-এর লক্ষ্য হলো সব শ্রেণির মানুষের জন্য উপযুক্ত আবাসন সহজলভ্য করা এবং টেকসই মানব বসতি গড়ে তোলা। নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাও এ নীতির অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬; মহানগরী ও সব পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উদ্যান ও জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০; রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এবং বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালাসহ বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা রয়েছে।

বাংলাদেশের মানব বসতি ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিয়েও গবেষণা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় আবাসস্থল ধ্বংসের বিভিন্ন কারণ হিসেবে অতিরিক্ত জনসংখ্যা, ত্রুটিপূর্ণ ভূমি ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বৃক্ষনিধন, জ্বালানি কাঠের সংকট, বনসম্পদ আহরণ, অবকাঠামো ও পরিবহন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, ইটভাটা স্থাপন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, গবাদি পশুর অতিচারণসহ বিভিন্ন বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে। আবাসস্থল ধ্বংসের ফলে জীববৈচিত্র‍্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশে আবাসন-সংক্রান্ত নীতি ও আইন থাকলেও সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ বড় চ্যালেঞ্জ। কোথাও জনবলের অভাব, কোথাও দুর্বল তদারকি, আবার কোথাও আইন প্রয়োগের ঘাটতির কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু নতুন আইন প্রণয়ন করলেই হবে না; বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সরকার, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে পারলেই বিশ্ব বসতি দিবসের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে।

[লেখক: অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক ও লাইন ডাইরেক্টর (এমআইএস), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। সে অনুযায়ী ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। শহর ও নগরের বর্তমান অবস্থা, সবার জন্য উপযুক্ত বাসস্থানের মৌলিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ নগর গড়ে তোলায় মানুষের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানব বসতির বর্তমান অবস্থা, পর্যাপ্ত আবাসন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টিও দিবসটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৮৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ১১৯তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ৪০/২০২ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৮৬ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ দ্রুত নগরায়ণ এবং বিশেষ করে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরুণ জনগোষ্ঠীর নগরমুখী হওয়ার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবে। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন এবং সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা আরও জরুরি হয়ে উঠবে।

এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত বাসস্থান’। পর্যাপ্ত আবাসন নিশ্চিত করতে নিম্ন আয়ের পরিবার, গৃহহীন মানুষ, দুর্যোগ ও সংকটকবলিত জনগোষ্ঠী এবং বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে থাকা মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এর পাশাপাশি প্রয়োজন ভূমির মালিকানা ও দখলের নিরাপত্তা, সুপরিকল্পিত ও নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন আবাসিক এলাকা এবং সামাজিক, সরকারি, ভাড়াভিত্তিক, সমবায় ও বাজারভিত্তিক আবাসনের সুযোগ। আবাসনব্যবস্থা হতে হবে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু-সহনশীল, নিরাপদ ও মানসম্মত।

জাতিসংঘের ‘আরবান অক্টোবর’ কর্মসূচির সূচনাও বিশ্ব বসতি দিবসের মধ্য দিয়ে। অক্টোবর মাসজুড়ে নগরায়ণ, আবাসন ও টেকসই নগর উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য হলো সরকার, স্থানীয় সম্প্রদায়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নগর উন্নয়নে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা। সমন্বিত আবাসন কৌশল, বহুস্তরীয় শাসনব্যবস্থা, সহায়ক আইন ও নীতি, নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত এবং পর্যাপ্ত অর্থায়ন ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

জাতিসংঘের আবাসনবিষয়ক ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি ১২ লাখ মানুষ বস্তির পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে। একই সময়ে ৫ কোটি ৩০ লাখ মানুষ উন্নত পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা পেয়েছে এবং ৪ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি পরিবার ভূমির মালিকানা বা দখলের আইনি অধিকার পেয়েছে। তবে বৈশ্বিক আবাসন সংকট এখনো তীব্র। ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ২৮০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের আবাসন-সংক্রান্ত অপর্যাপ্ততার মধ্যে ছিল। এর মধ্যে প্রায় ১১০ কোটি মানুষ বস্তি ও অনানুষ্ঠানিক আবাসনে বসবাস করছে। বিশ্বে প্রায় ৩১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ গৃহহীন। অন্যদিকে প্রতি পাঁচটি পরিবারের একটি তাদের ব্যয়যোগ্য আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি আবাসনের পেছনে ব্যয় করছে। এতে পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা কমছে এবং ঋণের ঝুঁকি বাড়ছে।

বাংলাদেশেও আবাসন ও মানব বসতি নিয়ে নানা নীতি ও আইন রয়েছে। জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা-২০১৬-এর লক্ষ্য হলো সব শ্রেণির মানুষের জন্য উপযুক্ত আবাসন সহজলভ্য করা এবং টেকসই মানব বসতি গড়ে তোলা। নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাও এ নীতির অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬; মহানগরী ও সব পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উদ্যান ও জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০; রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এবং বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালাসহ বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা রয়েছে।

বাংলাদেশের মানব বসতি ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিয়েও গবেষণা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় আবাসস্থল ধ্বংসের বিভিন্ন কারণ হিসেবে অতিরিক্ত জনসংখ্যা, ত্রুটিপূর্ণ ভূমি ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বৃক্ষনিধন, জ্বালানি কাঠের সংকট, বনসম্পদ আহরণ, অবকাঠামো ও পরিবহন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, ইটভাটা স্থাপন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, গবাদি পশুর অতিচারণসহ বিভিন্ন বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে। আবাসস্থল ধ্বংসের ফলে জীববৈচিত্র‍্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশে আবাসন-সংক্রান্ত নীতি ও আইন থাকলেও সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ বড় চ্যালেঞ্জ। কোথাও জনবলের অভাব, কোথাও দুর্বল তদারকি, আবার কোথাও আইন প্রয়োগের ঘাটতির কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু নতুন আইন প্রণয়ন করলেই হবে না; বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সরকার, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে পারলেই বিশ্ব বসতি দিবসের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে।

[লেখক: অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক ও লাইন ডাইরেক্টর (এমআইএস), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত