সংবাদ

কর্মসূচির আগেই গ্রেফতারির আশঙ্কা নেতাদের

১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির মেগা বিক্ষোভ


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম

১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির মেগা বিক্ষোভ

​নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে এবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে এই বৃহৎ প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।

এর আগে ভারতের মুম্বই শহরে একটি বড় বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে নতুন এই আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
​তবে আগামী ১০ অক্টোবরের এই রাজপথের কর্মসূচি শুরুর আগেই সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গ্রেফতার করা হতে পারে বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি দাবি করেন, তাকেসহ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও রত্না সিংয়ের মতো শীর্ষ নেতাদের ১০ অক্টোবরের পূর্বেই গ্রেফতার করা হতে পারে। অবশ্য বিরোধী নেতাদের এই গ্রেফতারির আশঙ্কা বা সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
​গ্রেফতারির আশঙ্কার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি আন্দোলনে নিজেদের অবিচল থাকার বার্তাও দিয়েছেন সৌরভ দাস। তিনি বলেন, "নেতাদের গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলন কোনোভাবে থামবে না।"
একই সাথে আগামী ১০ অক্টোবর দেশজুড়ে বড় আকারের জমায়েতের আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দিল্লিতে তাদের নির্ধারিত সম্পূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ নিয়ম মেনেই এগিয়ে নেওয়া হবে।
​অন্যদিকে এসআইআর প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভেতরের কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের প্রশাসনিক অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে, নিজেদের ভেতরের কর্মকর্তাদের মধ্যে মতামত বা দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিশনের পূর্বনির্ধারিত ও সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশের নির্বাচন কমিশনের অন্দরের এমন টানাপোড়েন এবং আন্দোলনকারী নেতাদের গ্রেফতারের আশঙ্কার মধ্যে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরের কর্মসূচিকে ঘিরে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ কোন দিকে যায়, সেদিকেই এখন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির মেগা বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

​নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে এবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে এই বৃহৎ প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।

এর আগে ভারতের মুম্বই শহরে একটি বড় বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে নতুন এই আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
​তবে আগামী ১০ অক্টোবরের এই রাজপথের কর্মসূচি শুরুর আগেই সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গ্রেফতার করা হতে পারে বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি দাবি করেন, তাকেসহ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও রত্না সিংয়ের মতো শীর্ষ নেতাদের ১০ অক্টোবরের পূর্বেই গ্রেফতার করা হতে পারে। অবশ্য বিরোধী নেতাদের এই গ্রেফতারির আশঙ্কা বা সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।
​গ্রেফতারির আশঙ্কার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি আন্দোলনে নিজেদের অবিচল থাকার বার্তাও দিয়েছেন সৌরভ দাস। তিনি বলেন, "নেতাদের গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলন কোনোভাবে থামবে না।"
একই সাথে আগামী ১০ অক্টোবর দেশজুড়ে বড় আকারের জমায়েতের আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দিল্লিতে তাদের নির্ধারিত সম্পূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ নিয়ম মেনেই এগিয়ে নেওয়া হবে।
​অন্যদিকে এসআইআর প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভেতরের কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের প্রশাসনিক অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে, নিজেদের ভেতরের কর্মকর্তাদের মধ্যে মতামত বা দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিশনের পূর্বনির্ধারিত ও সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশের নির্বাচন কমিশনের অন্দরের এমন টানাপোড়েন এবং আন্দোলনকারী নেতাদের গ্রেফতারের আশঙ্কার মধ্যে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরের কর্মসূচিকে ঘিরে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ কোন দিকে যায়, সেদিকেই এখন তীক্ষ্ণ নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত