হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। আটককৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট, তিনটি ল্যাপটপ এবং একটি দামি মোবাইল ফোন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
কর্মকর্তারা জানান, সোমবার (৫ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের (এয়ারপোর্ট, সি-শিফট) একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। শারজাহ থেকে ঢাকাগামী 'জি৯-৫৭১' ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি ও প্রোফাইলিং শেষে তাঁদের লাগেজ স্ক্যানিং এবং তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশিকালে যাত্রী মোহাম্মদ শাহিনের ব্যাগেজ থেকে ৩২০ কার্টন সিগারেট, একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। অন্য যাত্রী কে এম ফজল হকের কাছ থেকে ১২৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ এবং বেলায়েত ভূঁইয়া হোসাইনের কাছ থেকে ১৮৬ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, বিমানবন্দর ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি, চোরাচালান রোধ ও ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে নজরদারি ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
/

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। আটককৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট, তিনটি ল্যাপটপ এবং একটি দামি মোবাইল ফোন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
কর্মকর্তারা জানান, সোমবার (৫ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের (এয়ারপোর্ট, সি-শিফট) একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। শারজাহ থেকে ঢাকাগামী 'জি৯-৫৭১' ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি ও প্রোফাইলিং শেষে তাঁদের লাগেজ স্ক্যানিং এবং তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশিকালে যাত্রী মোহাম্মদ শাহিনের ব্যাগেজ থেকে ৩২০ কার্টন সিগারেট, একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। অন্য যাত্রী কে এম ফজল হকের কাছ থেকে ১২৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ এবং বেলায়েত ভূঁইয়া হোসাইনের কাছ থেকে ১৮৬ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, বিমানবন্দর ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি, চোরাচালান রোধ ও ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে নজরদারি ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন