সংবাদ

পাহাড় রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নিন


প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পিএম

পাহাড় রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নিন

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের দিনারপুর পরগনায় আবারও রাতের আঁধারে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি নির্মাণের অনুমতির আড়ালে এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। কাটা মাটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, বাড়ি নির্মাণের জন্য সীমিত পরিসরে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হলেও পাহাড় বা টিলা কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়ার পর সেটি স্থগিত করে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই অনুমতির অপব্যবহার করে যদি বাণিজ্যিকভাবে পাহাড় কাটা হয়ে থাকে, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

দিনারপুর পরগনায় পাহাড় কাটার ঘটনা নতুন নয়। এ নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও রয়েছে। পাহাড় ও টিলা রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপরও পাহাড় কাটা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো তার দায় এড়াতে পারে না।

পাহাড় স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। নির্বিচারে পাহাড় কাটলে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে, জীববৈচিত্র‍্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষ। একটি বাড়ি নির্মাণ বা কিছু মাটি বিক্রির তাৎক্ষণিক লাভের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এই ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না।

দিনারপুরে পাহাড় কাটার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। কোথায় কতটুকু পাহাড় কাটা হয়েছে, কারা জড়িত, অনুমতির শর্ত কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তে খুঁজে বের করতে হবে। অবৈধভাবে কাটা পাহাড়ের মাটি বিক্রির পথও বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত যন্ত্র ও পরিবহন জব্দ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


পাহাড় রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নিন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের দিনারপুর পরগনায় আবারও রাতের আঁধারে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি নির্মাণের অনুমতির আড়ালে এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। কাটা মাটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, বাড়ি নির্মাণের জন্য সীমিত পরিসরে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হলেও পাহাড় বা টিলা কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়ার পর সেটি স্থগিত করে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই অনুমতির অপব্যবহার করে যদি বাণিজ্যিকভাবে পাহাড় কাটা হয়ে থাকে, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

দিনারপুর পরগনায় পাহাড় কাটার ঘটনা নতুন নয়। এ নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও রয়েছে। পাহাড় ও টিলা রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপরও পাহাড় কাটা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো তার দায় এড়াতে পারে না।

পাহাড় স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। নির্বিচারে পাহাড় কাটলে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে, জীববৈচিত্র‍্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষ। একটি বাড়ি নির্মাণ বা কিছু মাটি বিক্রির তাৎক্ষণিক লাভের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এই ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না।

দিনারপুরে পাহাড় কাটার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার। কোথায় কতটুকু পাহাড় কাটা হয়েছে, কারা জড়িত, অনুমতির শর্ত কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তে খুঁজে বের করতে হবে। অবৈধভাবে কাটা পাহাড়ের মাটি বিক্রির পথও বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত যন্ত্র ও পরিবহন জব্দ করতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত