সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা মরিচের আমদানি উল্লেখজনক হারে বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একই সময়ে মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার স্থানীয় বাজারে কমছে না শুকনা মরিচের দাম।
ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা বলছেন, বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় শুকনা মরিচের আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তবে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে দর স্থির থাকায় সাধারণ ক্রেতারা এর সুফল পাচ্ছেন না।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাতেমা স্টোরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ খুচরা পর্যায়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মাস আগেও একই দামে বিক্রি হয়েছিল পণ্যটি। আমদানির প্রভাব কেন খুচরা বাজারে পড়ছে না জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, 'পাইকারি বাজারে দর অপরিবর্তিত থাকায় খুচরা পর্যায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।'
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এস এম আবদুল্লাহ বলেন, 'যেকোনো পণ্যের সরবরাহ ও আমদানি বাড়লে বাজারে দাম কমার কথা। ভোমরা বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও কেন শুকনা মরিচের দাম কমছে না, বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ভোমরা কাস্টমস হাউসের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এই বন্দর দিয়ে ১৭ হাজার ২৭৮ টন শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছে, যার আমদানি মূল্য প্রায় ৪৭৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে ১১ হাজার ৫৭০ টন শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছিল, যার মূল্য ছিল ৩১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানি বেড়েছে ৫ হাজার ৭০৮ টন।
ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, দেশের বাজারে মসলার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আমদানি বাড়িয়েছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এবার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ আমদানি বেড়েছে।
ভোমরা কাস্টমস হাউসের কাস্টমস কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, ব্যবসায়ীদের চাহিদা থাকায় ভোমরা বন্দরে শুকনা মরিচের বিনাশুল্ক ও নিয়মিত খালাস প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। আমদানি বাড়ায় সরকারও ভালো পরিমাণে রাজস্ব পাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা মরিচের আমদানি উল্লেখজনক হারে বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একই সময়ে মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার স্থানীয় বাজারে কমছে না শুকনা মরিচের দাম।
ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা বলছেন, বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় শুকনা মরিচের আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তবে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে দর স্থির থাকায় সাধারণ ক্রেতারা এর সুফল পাচ্ছেন না।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাতেমা স্টোরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ খুচরা পর্যায়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মাস আগেও একই দামে বিক্রি হয়েছিল পণ্যটি। আমদানির প্রভাব কেন খুচরা বাজারে পড়ছে না জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, 'পাইকারি বাজারে দর অপরিবর্তিত থাকায় খুচরা পর্যায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।'
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এস এম আবদুল্লাহ বলেন, 'যেকোনো পণ্যের সরবরাহ ও আমদানি বাড়লে বাজারে দাম কমার কথা। ভোমরা বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও কেন শুকনা মরিচের দাম কমছে না, বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ভোমরা কাস্টমস হাউসের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এই বন্দর দিয়ে ১৭ হাজার ২৭৮ টন শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছে, যার আমদানি মূল্য প্রায় ৪৭৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে ১১ হাজার ৫৭০ টন শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছিল, যার মূল্য ছিল ৩১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানি বেড়েছে ৫ হাজার ৭০৮ টন।
ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, দেশের বাজারে মসলার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আমদানি বাড়িয়েছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এবার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ আমদানি বেড়েছে।
ভোমরা কাস্টমস হাউসের কাস্টমস কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, ব্যবসায়ীদের চাহিদা থাকায় ভোমরা বন্দরে শুকনা মরিচের বিনাশুল্ক ও নিয়মিত খালাস প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। আমদানি বাড়ায় সরকারও ভালো পরিমাণে রাজস্ব পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন