গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পতিত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন লুৎফর রহমান নামের এক উদ্যোক্তা। তার এই ব্যতিক্রমি ও লাভজনক উদ্যোগ এখন এলাকার অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের পাঁচগাছি মডেল হাইস্কুলের দক্ষিণ পাশে মাত্র ৬ শতাংশ জমিতে লুৎফর গড়ে তুলেছেন বস্তায় আদা চাষের প্রদর্শনী ক্ষেত। সবুজ সারিবদ্ধ বস্তায় দোল খাচ্ছে আদা গাছ। দৃষ্টিনন্দন এই আদা ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
উদ্যোক্তা লুৎফর রহমান জানান, আগে তিনি ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে স্কুলের পাশে একটি দোকান দেন। কিন্তু দোকানের পাশাপাশি বাড়তি কিছু করার চিন্তা থেকে ইউটিউব দেখে এবং স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বস্তায় আদা চাষ শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘বাড়ির পাশে ৬ শতক পতিত জমিতে দূর থেকে মাটি এনে তার সঙ্গে গোবর সার ও বালু মিশিয়ে বস্তার ভেতর আদার বীজ রোপণ করি। কম খরচে ও অল্প জায়গায় এই পদ্ধতিতে চাষ করা যায়। এতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার সুযোগ না থাকায় ফলনও ভালো হয়। আশা করছি এবার ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বস্তায় আদা চাষ করলে রোগবালাইয়ের উপদ্রব কম হয় এবং সেচ দেওয়া বেশ সুবিধাজনক। এ ছাড়া বন্যা বা অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে ফসল নষ্ট হওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না। লুৎফরের এই সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই এখন বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ একটি অত্যন্ত লাভজনক ও আধুনিক প্রযুক্তি। যাদের নিজস্ব জমি কম কিংবা বাড়ির আঙিনা পতিত পড়ে আছে, তারাও সহজে এই পদ্ধতিতে আদা চাষ করতে পারেন। কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে লুৎফর রহমানকে সব ধরনের পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পতিত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন লুৎফর রহমান নামের এক উদ্যোক্তা। তার এই ব্যতিক্রমি ও লাভজনক উদ্যোগ এখন এলাকার অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের পাঁচগাছি মডেল হাইস্কুলের দক্ষিণ পাশে মাত্র ৬ শতাংশ জমিতে লুৎফর গড়ে তুলেছেন বস্তায় আদা চাষের প্রদর্শনী ক্ষেত। সবুজ সারিবদ্ধ বস্তায় দোল খাচ্ছে আদা গাছ। দৃষ্টিনন্দন এই আদা ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
উদ্যোক্তা লুৎফর রহমান জানান, আগে তিনি ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে স্কুলের পাশে একটি দোকান দেন। কিন্তু দোকানের পাশাপাশি বাড়তি কিছু করার চিন্তা থেকে ইউটিউব দেখে এবং স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বস্তায় আদা চাষ শুরু করেন।
তিনি বলেন, ‘বাড়ির পাশে ৬ শতক পতিত জমিতে দূর থেকে মাটি এনে তার সঙ্গে গোবর সার ও বালু মিশিয়ে বস্তার ভেতর আদার বীজ রোপণ করি। কম খরচে ও অল্প জায়গায় এই পদ্ধতিতে চাষ করা যায়। এতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার সুযোগ না থাকায় ফলনও ভালো হয়। আশা করছি এবার ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বস্তায় আদা চাষ করলে রোগবালাইয়ের উপদ্রব কম হয় এবং সেচ দেওয়া বেশ সুবিধাজনক। এ ছাড়া বন্যা বা অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে ফসল নষ্ট হওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না। লুৎফরের এই সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই এখন বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ একটি অত্যন্ত লাভজনক ও আধুনিক প্রযুক্তি। যাদের নিজস্ব জমি কম কিংবা বাড়ির আঙিনা পতিত পড়ে আছে, তারাও সহজে এই পদ্ধতিতে আদা চাষ করতে পারেন। কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে লুৎফর রহমানকে সব ধরনের পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন