শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের অসলো থেকে বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সংঘাত ও চরম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ বছর শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা ও সংগঠন রয়েছে।
নোবেল কমিটির নিয়ম অনুসারে, বিচারকদের কাছে কারা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত হয়েছেন, তা দীর্ঘ ৫০ বছর গোপন রাখা হয়। তবে মনোনয়ন প্রদানকারী ব্যক্তি বা সংস্থা চাইলে তাদের প্রস্তাবিত নাম আগাম প্রকাশ করতে পারেন। সেই সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা মনোনীত করেছেন বলে দাবি করা হলেও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার পুরস্কার জয়ের সম্ভাবনা এবারও বেশ ক্ষীণ।
এ বছর সম্ভাব্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় জোর আলোচনায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রাখা আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিজে), আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেস্কা আলবানিজের নাম। এ ছাড়া মানবতাবাদী ক্যাটাগরিতে সুদানের গৃহযুদ্ধের মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো 'ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস', আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সংস্থা 'সেভ দ্য চিলড্রেন' এবং ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ লিওর নামও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইল অনুযায়ী, জাতিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষা, সশস্ত্র বাহিনীর আকার হ্রাস এবং শান্তিসভা আয়োজনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা ব্যক্তি বা সংস্থাকেই নির্বাচন করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। অসলোতে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর বিজয়ী ব্যক্তি বা সংস্থার হাতে পদক, সনদ এবং ১ কোটি ২০ লাখ ডলার (১২ কোটি সুইডিশ ক্রোনা) তুলে দেওয়া হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের অসলো থেকে বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সংঘাত ও চরম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ বছর শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংস্থা ও সংগঠন রয়েছে।
নোবেল কমিটির নিয়ম অনুসারে, বিচারকদের কাছে কারা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত হয়েছেন, তা দীর্ঘ ৫০ বছর গোপন রাখা হয়। তবে মনোনয়ন প্রদানকারী ব্যক্তি বা সংস্থা চাইলে তাদের প্রস্তাবিত নাম আগাম প্রকাশ করতে পারেন। সেই সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা মনোনীত করেছেন বলে দাবি করা হলেও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার পুরস্কার জয়ের সম্ভাবনা এবারও বেশ ক্ষীণ।
এ বছর সম্ভাব্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় জোর আলোচনায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রাখা আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিজে), আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেস্কা আলবানিজের নাম। এ ছাড়া মানবতাবাদী ক্যাটাগরিতে সুদানের গৃহযুদ্ধের মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো 'ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস', আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সংস্থা 'সেভ দ্য চিলড্রেন' এবং ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ লিওর নামও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইল অনুযায়ী, জাতিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষা, সশস্ত্র বাহিনীর আকার হ্রাস এবং শান্তিসভা আয়োজনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা ব্যক্তি বা সংস্থাকেই নির্বাচন করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। অসলোতে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর বিজয়ী ব্যক্তি বা সংস্থার হাতে পদক, সনদ এবং ১ কোটি ২০ লাখ ডলার (১২ কোটি সুইডিশ ক্রোনা) তুলে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন