গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের এমন বিদায় স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহাবাজ মতিবাজার গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়া (৭০) ও তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৬০) অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে আমিনা বেগম উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে স্ট্রোক করেন। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্বামী আব্দুল জলিল মিয়াও স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য দুজনকেই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার রাত ১২টার দিকে আব্দুল জলিল মিয়া মারা যান। পরদিন মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। স্বামী দাফনের ঠিক এক ঘণ্টা পর বিকেল ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রী আমিনা বেগমও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
বাবার দাফন শেষ হতে না হতেই মায়ের মৃত্যুর খবরে সন্তানদের ওপর যেন শোকের পাহাড় ভেঙে পড়ে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টায় জানাজা শেষে আমিনা বেগমকেও স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়।
মৃত দম্পতির ছেলে আলম মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা-মায়ের মধ্যে অসম্ভব মিল ও ভালোবাসা ছিল। সংসার জীবনে কখনো তাদের বড় কোনো দ্বন্দ্ব হতে দেখিনি। আমার বিশ্বাস, বাবার মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরেই মা চলে গেছেন। সবই ওপরওয়ালার ইচ্ছা। তারা যেন ওপারে ভালো থাকেন, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বিরল। সাধারণত এমন ঘটনা খুব কমই চোখে পড়ে। সৃষ্টিকর্তা যা করেন তা ভালোর জন্যই করেন। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাদের জান্নাতবাসী করেন।’

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্বামীর দাফন সম্পন্ন হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের এমন বিদায় স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহাবাজ মতিবাজার গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়া (৭০) ও তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৬০) অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে আমিনা বেগম উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে স্ট্রোক করেন। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্বামী আব্দুল জলিল মিয়াও স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য দুজনকেই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার রাত ১২টার দিকে আব্দুল জলিল মিয়া মারা যান। পরদিন মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। স্বামী দাফনের ঠিক এক ঘণ্টা পর বিকেল ৫টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রী আমিনা বেগমও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
বাবার দাফন শেষ হতে না হতেই মায়ের মৃত্যুর খবরে সন্তানদের ওপর যেন শোকের পাহাড় ভেঙে পড়ে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টায় জানাজা শেষে আমিনা বেগমকেও স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়।
মৃত দম্পতির ছেলে আলম মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা-মায়ের মধ্যে অসম্ভব মিল ও ভালোবাসা ছিল। সংসার জীবনে কখনো তাদের বড় কোনো দ্বন্দ্ব হতে দেখিনি। আমার বিশ্বাস, বাবার মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরেই মা চলে গেছেন। সবই ওপরওয়ালার ইচ্ছা। তারা যেন ওপারে ভালো থাকেন, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বিরল। সাধারণত এমন ঘটনা খুব কমই চোখে পড়ে। সৃষ্টিকর্তা যা করেন তা ভালোর জন্যই করেন। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাদের জান্নাতবাসী করেন।’

আপনার মতামত লিখুন