নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উত্তর কোলাপাড়া মৌজার ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালী মাতা মন্দিরের ৩৮ শতক জমির মালিকানা নিয়ে শ্রী বিশ্বনাথ কুজুর গং এবং মো. আঃ আওয়াল গংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে ২০১৫ সালে আদালতের দ্বারস্থ হন মন্দিরের সেবায়েত। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে প্রতিপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৪২ সাল থেকে ওই জমিতে কালীপূজা, সরস্বতীপূজা ও হরিবাসরসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে আসছে। সিএস জরিপে ৩৮ শতক জমি শ্রী শ্রী কালী মাতা মন্দিরের নামে রেকর্ডভুক্ত থাকলেও পরবর্তী আরএস জরিপে জমিটি ব্যক্তি মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এই রেকর্ড সংশোধনকে কেন্দ্র করেই জটিলতার সৃষ্টি হয়।
মন্দিরের সেবায়েত শ্রী বিশ্বনাথ কুজুর বলেন, ‘জমিটি দেবোত্তর সম্পত্তি এবং এটি মন্দির কর্তৃপক্ষের দখলে রয়েছে। আদালতে আমাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। কিন্তু মামলা চলমান অবস্থায় বিভিন্নভাবে হুমকি ও মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা আদালতের মাধ্যমে সঠিক ন্যায়বিচার চাই।’
অন্যদিকে বিবাদী মো. আঃ আওয়ালের পক্ষে তৌহিদুল ইসলাম হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, জমিটি তাদের পৈতৃক সূত্রে কেনা সম্পত্তি। আদালতে মামলা চলমান রয়েছে এবং আইনি বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান তিনি।
এলাকাবাসীর মতে, ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় আস্থা এবং সম্প্রীতির কেন্দ্রবিন্দু। তাই আদালতের নথি ও দলিলের আলোকে দ্রুত আইনগত নিষ্পত্তি হলে এলাকায় সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকবে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উত্তর কোলাপাড়া মৌজার ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী কালী মাতা মন্দিরের ৩৮ শতক জমির মালিকানা নিয়ে শ্রী বিশ্বনাথ কুজুর গং এবং মো. আঃ আওয়াল গংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে ২০১৫ সালে আদালতের দ্বারস্থ হন মন্দিরের সেবায়েত। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে প্রতিপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৪২ সাল থেকে ওই জমিতে কালীপূজা, সরস্বতীপূজা ও হরিবাসরসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে আসছে। সিএস জরিপে ৩৮ শতক জমি শ্রী শ্রী কালী মাতা মন্দিরের নামে রেকর্ডভুক্ত থাকলেও পরবর্তী আরএস জরিপে জমিটি ব্যক্তি মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এই রেকর্ড সংশোধনকে কেন্দ্র করেই জটিলতার সৃষ্টি হয়।
মন্দিরের সেবায়েত শ্রী বিশ্বনাথ কুজুর বলেন, ‘জমিটি দেবোত্তর সম্পত্তি এবং এটি মন্দির কর্তৃপক্ষের দখলে রয়েছে। আদালতে আমাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। কিন্তু মামলা চলমান অবস্থায় বিভিন্নভাবে হুমকি ও মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা আদালতের মাধ্যমে সঠিক ন্যায়বিচার চাই।’
অন্যদিকে বিবাদী মো. আঃ আওয়ালের পক্ষে তৌহিদুল ইসলাম হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, জমিটি তাদের পৈতৃক সূত্রে কেনা সম্পত্তি। আদালতে মামলা চলমান রয়েছে এবং আইনি বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান তিনি।
এলাকাবাসীর মতে, ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় আস্থা এবং সম্প্রীতির কেন্দ্রবিন্দু। তাই আদালতের নথি ও দলিলের আলোকে দ্রুত আইনগত নিষ্পত্তি হলে এলাকায় সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন