শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমি আয়োজিত ‘শাপলা কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার ১৪তম আসরের প্রাথমিক পর্ব শুরু হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা আমাদের সবার দায়িত্ব। শাপলা কুঁড়ির মতো আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পাবে।’
‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় কেরাত, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত—এই ছয়টি বিষয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশুরা অংশ নিচ্ছে।
প্রাথমিক পর্বে ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ জোনের প্রতিযোগীরা অংশ নিচ্ছেন। ২১ সেপ্টেম্বর ক ও খ বিভাগে পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত বিষয়ে অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে ৬০ জনকে ইয়েস কার্ড দেওয়া হয়। আজ ২২ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একাডেমির পরিচালক সামিনা সাম্পা বলেন, ‘শিশুদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুঁজে বের করে তাদের সঠিকভাবে বিকশিত করার লক্ষ্যেই শাপলা কুঁড়ির আয়োজন। আমরা চাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিশুরা এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সামনে আসুক।’
পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বরিশাল, খুলনা ও যশোর জোনে কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত এবং ২৮ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রতিযোগিতা হবে।
এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জোনে ২৯ সেপ্টেম্বর কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত এবং ৩০ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক পর্বে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা পরবর্তী সময়ে ‘শাপলা কুঁড়ি’র মূল পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমি আয়োজিত ‘শাপলা কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার ১৪তম আসরের প্রাথমিক পর্ব শুরু হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা আমাদের সবার দায়িত্ব। শাপলা কুঁড়ির মতো আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পাবে।’
‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় কেরাত, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত—এই ছয়টি বিষয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশুরা অংশ নিচ্ছে।
প্রাথমিক পর্বে ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ জোনের প্রতিযোগীরা অংশ নিচ্ছেন। ২১ সেপ্টেম্বর ক ও খ বিভাগে পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত বিষয়ে অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে ৬০ জনকে ইয়েস কার্ড দেওয়া হয়। আজ ২২ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একাডেমির পরিচালক সামিনা সাম্পা বলেন, ‘শিশুদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুঁজে বের করে তাদের সঠিকভাবে বিকশিত করার লক্ষ্যেই শাপলা কুঁড়ির আয়োজন। আমরা চাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান শিশুরা এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সামনে আসুক।’
পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বরিশাল, খুলনা ও যশোর জোনে কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত এবং ২৮ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রতিযোগিতা হবে।
এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জোনে ২৯ সেপ্টেম্বর কেরাত, আবৃত্তি ও সংগীত এবং ৩০ সেপ্টেম্বর নৃত্য, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীত বিষয়ে প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক পর্বে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা পরবর্তী সময়ে ‘শাপলা কুঁড়ি’র মূল পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন