৪৫তম বিসিএসের কৃষি ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও সরকারি নিয়োগের গেজেটে জায়গা পাননি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান। গত ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত গেজেটে নিজের নাম না দেখে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।
তার অভিযোগ, পুলিশ ভেরিফিকেশনে পরিচয়সংক্রান্ত বিভ্রান্তি ও ভুল তথ্যের কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিসিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীর তথ্য পুনঃযাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মেহেদী হাসান বাকৃবির কৃষি অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে কৃষি ক্যাডারে মেধাতালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৬তম। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সব ধাপ অতিক্রম করে ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন তিনি।
মেহেদীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে শহীদ নাজমুল আহসান হলে একই নামে একাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান করায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় অন্য কারও নেতিবাচক তথ্য ভুলবশত তার নথিতে যুক্ত হয়ে থাকতে পারে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মামলা কিংবা ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে আমি নিজেই ক্যাডার পদ থেকে সরে দাঁড়াব। কিন্তু কোনো অপরাধ না করেও পরিচয়সংক্রান্ত ভুলের কারণে বাদ পড়া মেনে নেওয়া কঠিন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর শেষ ধাপে এসে এমন ভুলের দায়ভার কে নেবে?’
তিনি আরও জানান, তার গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাইমুল্যা গ্রামে। তার বাবার নাম মো. আজহার আলী এবং মায়ের নাম মোছা. মাহফুজা খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালে তিনি চারুকলা ও মেধাভিত্তিক পরিবেশেই সময় কাটিয়েছেন এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের ভুল তথ্য সংশোধন করে নিরপেক্ষ পুনঃযাচাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত গেজেট সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন এই বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
৪৫তম বিসিএসের কৃষি ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও সরকারি নিয়োগের গেজেটে জায়গা পাননি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান। গত ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত গেজেটে নিজের নাম না দেখে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।
তার অভিযোগ, পুলিশ ভেরিফিকেশনে পরিচয়সংক্রান্ত বিভ্রান্তি ও ভুল তথ্যের কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিসিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীর তথ্য পুনঃযাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মেহেদী হাসান বাকৃবির কৃষি অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে কৃষি ক্যাডারে মেধাতালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৬তম। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সব ধাপ অতিক্রম করে ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন তিনি।
মেহেদীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে শহীদ নাজমুল আহসান হলে একই নামে একাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান করায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় অন্য কারও নেতিবাচক তথ্য ভুলবশত তার নথিতে যুক্ত হয়ে থাকতে পারে।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মামলা কিংবা ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে আমি নিজেই ক্যাডার পদ থেকে সরে দাঁড়াব। কিন্তু কোনো অপরাধ না করেও পরিচয়সংক্রান্ত ভুলের কারণে বাদ পড়া মেনে নেওয়া কঠিন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর শেষ ধাপে এসে এমন ভুলের দায়ভার কে নেবে?’
তিনি আরও জানান, তার গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাইমুল্যা গ্রামে। তার বাবার নাম মো. আজহার আলী এবং মায়ের নাম মোছা. মাহফুজা খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালে তিনি চারুকলা ও মেধাভিত্তিক পরিবেশেই সময় কাটিয়েছেন এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের ভুল তথ্য সংশোধন করে নিরপেক্ষ পুনঃযাচাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত গেজেট সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন এই বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থী।

আপনার মতামত লিখুন