বগুড়ার শেরপুরে করতোয়া নদীর পূর্বপাড় থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিকৃত চেহারার কারণে স্বজনেরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ এক অটোরিকশাচালকের স্বজনেরা মরদেহটি তার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কয়েকজন কিশোর নদীর তীরে খেলাধুলা করার সময় পানিতে অর্ধগলিত মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এদিকে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক আসাদুলের (২৫) স্বজনেরা বলছেন, শনিবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আসাদুল উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের কাপুরা গ্রামের বাসিন্দা। মরদেহের অবয়ব ও পরনের কিছু আলামত দেখে এটি নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তারা। তবে মুখ ও শরীর পচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হতে পারে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে করতোয়া নদীর পূর্বপাড় থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিকৃত চেহারার কারণে স্বজনেরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ এক অটোরিকশাচালকের স্বজনেরা মরদেহটি তার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কয়েকজন কিশোর নদীর তীরে খেলাধুলা করার সময় পানিতে অর্ধগলিত মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এদিকে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক আসাদুলের (২৫) স্বজনেরা বলছেন, শনিবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আসাদুল উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের কাপুরা গ্রামের বাসিন্দা। মরদেহের অবয়ব ও পরনের কিছু আলামত দেখে এটি নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তারা। তবে মুখ ও শরীর পচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন