ইসরায়েলের ২৬তম নেসেট (পার্লামেন্ট) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে প্রকাশিত বুথফেরত জরিপে (এক্সিট পোল) তীব্র হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত মিলছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এবং গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট–কোনো পক্ষই ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে (প্রায় ৭৭.৭ শতাংশ)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস আক্রমণ এবং ইরান ও গাজায় সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় একে দেশটির ‘অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
ভোট গ্রহণ শেষে দেশটির শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তাদের এক্সিট পোলের সংশোধিত ফল প্রকাশ করে। চ্যানেল ১৩ ও কান ১১-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ও বিরোধী জোট–উভয় পক্ষই ৫১টি করে আসন পেয়ে সমতায় রয়েছে। অন্যদিকে চ্যানেল ১২-এর সংশোধিত জরিপে নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৫০টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এই জরিপগুলোতে আরব দলগুলোর জোট সম্মিলিতভাবে ১৭ থেকে ১৮টি আসন পেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আগামীর সরকার গঠনে প্রধান ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। ফলাফল ঘোষণার মুখে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তার দল ‘লিকুদ’ সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে ‘ইরানি হুমকি চিরতরে দূর করার’ সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া না করতে জাতীয় ডানপন্থী সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে জোর দাবি করেছে, ভোটাররা নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেছেন। কোন পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন নিয়ে জটিল সমীকরণ ও দীর্ঘ দর-কষাকষির আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
/

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ইসরায়েলের ২৬তম নেসেট (পার্লামেন্ট) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে প্রকাশিত বুথফেরত জরিপে (এক্সিট পোল) তীব্র হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত মিলছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এবং গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট–কোনো পক্ষই ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে (প্রায় ৭৭.৭ শতাংশ)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস আক্রমণ এবং ইরান ও গাজায় সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় একে দেশটির ‘অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
ভোট গ্রহণ শেষে দেশটির শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তাদের এক্সিট পোলের সংশোধিত ফল প্রকাশ করে। চ্যানেল ১৩ ও কান ১১-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ও বিরোধী জোট–উভয় পক্ষই ৫১টি করে আসন পেয়ে সমতায় রয়েছে। অন্যদিকে চ্যানেল ১২-এর সংশোধিত জরিপে নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৫০টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এই জরিপগুলোতে আরব দলগুলোর জোট সম্মিলিতভাবে ১৭ থেকে ১৮টি আসন পেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আগামীর সরকার গঠনে প্রধান ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। ফলাফল ঘোষণার মুখে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তার দল ‘লিকুদ’ সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে ‘ইরানি হুমকি চিরতরে দূর করার’ সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া না করতে জাতীয় ডানপন্থী সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে জোর দাবি করেছে, ভোটাররা নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেছেন। কোন পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন নিয়ে জটিল সমীকরণ ও দীর্ঘ দর-কষাকষির আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
/

আপনার মতামত লিখুন