রাজধানী ঢাকায় তিনটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে আড়াই লাখ কোটি টাকার বিপুল মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ (আন্ডারগ্রাউন্ড) মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘লারসেন অ্যান্ড টুব্রো’ (এলঅ্যান্ডটি)।
ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার কোটি রুপি মূল্যের এই চুক্তির আওতায় সংস্থাটি রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণের পাশাপাশি সংকেতব্যবস্থা (সিগন্যালিং), টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর বসানোর কাজ পরিচালনা করবে।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পে দুটি রুট থাকছে–কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর (বিমানবন্দর রুট) এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট)। মোট ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জের ডিপোসংলগ্ন এলাকায় কাজগুলো বাস্তবায়িত হবে।
প্রকল্পটির কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি-০৯-এর আওতায় এলঅ্যান্ডটি তাদের জাপানি অংশীদার ‘সুমিতোমো করপোরেশন’-এর সঙ্গে যৌথভাবে রেললাইন ও পাওয়ার সাপ্লাই অবকাঠামোর নকশা প্রণয়ন ও স্থাপনের কাজ করবে। অন্যদিকে সিপি-১০ প্যাকেজের অধীনে সংস্থাটি পুরো রুটজুড়ে আধুনিক সিগন্যালিং ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ব্যবস্থা যুক্ত করবে।
এর আগে ঢাকার প্রথম উড়াল মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলব্যবস্থা স্থাপনের কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছিল এই ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) অধীনে নতুন এই ভূগর্ভস্থ রেল সংযোগ চালু হলে ঢাকাবাসীর জন্য একটি দ্রুতগামী, আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
/

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানী ঢাকায় তিনটি নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে আড়াই লাখ কোটি টাকার বিপুল মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ (আন্ডারগ্রাউন্ড) মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘লারসেন অ্যান্ড টুব্রো’ (এলঅ্যান্ডটি)।
ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার কোটি রুপি মূল্যের এই চুক্তির আওতায় সংস্থাটি রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণের পাশাপাশি সংকেতব্যবস্থা (সিগন্যালিং), টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর বসানোর কাজ পরিচালনা করবে।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পে দুটি রুট থাকছে–কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর (বিমানবন্দর রুট) এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট)। মোট ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জের ডিপোসংলগ্ন এলাকায় কাজগুলো বাস্তবায়িত হবে।
প্রকল্পটির কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি-০৯-এর আওতায় এলঅ্যান্ডটি তাদের জাপানি অংশীদার ‘সুমিতোমো করপোরেশন’-এর সঙ্গে যৌথভাবে রেললাইন ও পাওয়ার সাপ্লাই অবকাঠামোর নকশা প্রণয়ন ও স্থাপনের কাজ করবে। অন্যদিকে সিপি-১০ প্যাকেজের অধীনে সংস্থাটি পুরো রুটজুড়ে আধুনিক সিগন্যালিং ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ব্যবস্থা যুক্ত করবে।
এর আগে ঢাকার প্রথম উড়াল মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলব্যবস্থা স্থাপনের কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছিল এই ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) অধীনে নতুন এই ভূগর্ভস্থ রেল সংযোগ চালু হলে ঢাকাবাসীর জন্য একটি দ্রুতগামী, আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
/

আপনার মতামত লিখুন