পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বসতি ও অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ ২ নভেম্বর তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের শতদলগুচ্ছ গ্রামে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইনের হস্তক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলামের একটি অবৈধ বসতি ঘর উচ্ছেদ করে সেটিতে সিলগালা করা হয়েছে। সরকারি খাস জমিতে নির্মিত ঘর অবৈধভাবে ভাড়া প্রদান এবং সেখানে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আকাশ, ৩নং তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মনসুর আলী এবং তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল হোসেনসহ স্থানীয়রা।
অভিযান পরিচালনা শেষে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা বিভিন্ন স্ট্যাম্পে সরকারি ঘর অবৈধভাবে ভাড়া বা ক্রয়ের মাধ্যমে হাতবদল করছেন এবং সরকারি ঘর ভাড়া দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় প্রশাসন অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর ঘরের সমস্ত মালামাল নিরাপদে বাইরে বের করে এনে তিনটি টিনশেড ঘরসহ পুরো গৃহটি সিলগালা করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম সরকারি ঘরের প্রকৃত মালিক মৃত ফজলুল হকের কাছথেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ওই ঘরটি কিনে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ওই ঘরের কক্ষগুলো ভাড়া দিয়ে সেখানে মাদক সেবনসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ ওঠে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বসতি ও অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ ২ নভেম্বর তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের শতদলগুচ্ছ গ্রামে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইনের হস্তক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলামের একটি অবৈধ বসতি ঘর উচ্ছেদ করে সেটিতে সিলগালা করা হয়েছে। সরকারি খাস জমিতে নির্মিত ঘর অবৈধভাবে ভাড়া প্রদান এবং সেখানে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আকাশ, ৩নং তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মনসুর আলী এবং তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল হোসেনসহ স্থানীয়রা।
অভিযান পরিচালনা শেষে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা বিভিন্ন স্ট্যাম্পে সরকারি ঘর অবৈধভাবে ভাড়া বা ক্রয়ের মাধ্যমে হাতবদল করছেন এবং সরকারি ঘর ভাড়া দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় প্রশাসন অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর ঘরের সমস্ত মালামাল নিরাপদে বাইরে বের করে এনে তিনটি টিনশেড ঘরসহ পুরো গৃহটি সিলগালা করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম সরকারি ঘরের প্রকৃত মালিক মৃত ফজলুল হকের কাছথেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ওই ঘরটি কিনে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ওই ঘরের কক্ষগুলো ভাড়া দিয়ে সেখানে মাদক সেবনসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন