সংবাদ

২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর
ছবি : সংবাদ

ডা. এম এ হাদী বাংলাদেশে পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি একাধারে একজন গুণী শিক্ষক, স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং দক্ষ প্রশাসক ছিলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ ও ছড়িয়ে দিতেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউর সাবেক উপাচার্য ও প্রখ্যাত চিকিৎসক প্রয়াত ডা. এম এ হাদীর বর্ণাঢ্য জীবন ও স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে ডা. এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই স্মরণ সভা, বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ডা. এম এ হাদী ছিলেন সময়ের প্রতি অত্যন্ত সচেতন একজন মানুষ। তিনি ভোর পাঁচটায় প্রাইভেট হাসপাতালে রোগীদের অপারেশন করতেন এবং সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যে অফিসে চলে আসতেন। তিনি অত্যন্ত দূরদর্শী ও চিন্তাশীল ছিলেন। বাংলাদেশে পোস্ট গ্রাজুয়েট ও আন্ডার গ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষাসহ সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নার্সিং সেবাখাত ও মেডিকেল টেকনোলজির বিকাশেও তিনি বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে এসব সম্ভব হয়েছিল সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক সহযোগিতার ফলেই।

বিএমইউর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএমইউতে দেশের মানুষ ও রোগীরা অনেক আশা নিয়ে আসেন। তাই এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি প্রকৃত 'সেন্টার অফ এক্সিলেন্স' হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত যাতে সকল রেফার্ড রোগী ৩৬৫ দিনের ২৪ ঘণ্টাই নির্বিঘ্নে চিকিৎসাসেবা পায় এবং একজন রেফার্ড রোগীকেও যেন কখনোই বিএমইউ থেকে খালি হাতে ফেরত যেতে না হয়। এখানকার শিক্ষকদের আন্তর্জাতিকমানের গবেষণায় উৎসাহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। এছাড়া বিএমইউতে যারা প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে ইচ্ছুক, তাদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কাজে লাগানোর ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, এমপি, বলেন যে, ডা. এম এ হাদী স্যার সর্বদা মেধা ও গুণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বিকাশে তার অবদান অনন্য।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে এই প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং বিএমইউ’র উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকীসহ চিকিৎসকরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ডা. এম এ হাদী বাংলাদেশে পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি একাধারে একজন গুণী শিক্ষক, স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং দক্ষ প্রশাসক ছিলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ ও ছড়িয়ে দিতেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউর সাবেক উপাচার্য ও প্রখ্যাত চিকিৎসক প্রয়াত ডা. এম এ হাদীর বর্ণাঢ্য জীবন ও স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে ডা. এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই স্মরণ সভা, বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ডা. এম এ হাদী ছিলেন সময়ের প্রতি অত্যন্ত সচেতন একজন মানুষ। তিনি ভোর পাঁচটায় প্রাইভেট হাসপাতালে রোগীদের অপারেশন করতেন এবং সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যে অফিসে চলে আসতেন। তিনি অত্যন্ত দূরদর্শী ও চিন্তাশীল ছিলেন। বাংলাদেশে পোস্ট গ্রাজুয়েট ও আন্ডার গ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষাসহ সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নার্সিং সেবাখাত ও মেডিকেল টেকনোলজির বিকাশেও তিনি বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে এসব সম্ভব হয়েছিল সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ঐকান্তিক সহযোগিতার ফলেই।

বিএমইউর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএমইউতে দেশের মানুষ ও রোগীরা অনেক আশা নিয়ে আসেন। তাই এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি প্রকৃত 'সেন্টার অফ এক্সিলেন্স' হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত যাতে সকল রেফার্ড রোগী ৩৬৫ দিনের ২৪ ঘণ্টাই নির্বিঘ্নে চিকিৎসাসেবা পায় এবং একজন রেফার্ড রোগীকেও যেন কখনোই বিএমইউ থেকে খালি হাতে ফেরত যেতে না হয়। এখানকার শিক্ষকদের আন্তর্জাতিকমানের গবেষণায় উৎসাহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। এছাড়া বিএমইউতে যারা প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে ইচ্ছুক, তাদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কাজে লাগানোর ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. এম এ হাদী ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, এমপি, বলেন যে, ডা. এম এ হাদী স্যার সর্বদা মেধা ও গুণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বিকাশে তার অবদান অনন্য।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে এই প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং বিএমইউ’র উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকীসহ চিকিৎসকরা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত