দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ হাজার ১২৫ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থান নিচে তুলে ধরা হলো:
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫,০৩৮
মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০,৩৬৬.২৪ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের
ব্যবধানে গ্রস ও বিপিএম-৬—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূলত তিনটি কারণে রিজার্ভে এই ইতিবাচক
প্রবাহ দেখা যাচ্ছে: ১. প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি। ২. রপ্তানি আয়ে
স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি। ৩. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় কঠোর তদারকি।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মোট বা গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি
বৈদেশিক দায়ের হিসাব বাদ দিলে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ পাওয়া যায়। এটিই মূলত কোনো দেশের
বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বা আমদানির দায় মেটানোর প্রকৃত সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। রিজার্ভের
এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় স্বস্তির খবর বলে
মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ হাজার ১২৫ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থান নিচে তুলে ধরা হলো:
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫,০৩৮
মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০,৩৬৬.২৪ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের
ব্যবধানে গ্রস ও বিপিএম-৬—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূলত তিনটি কারণে রিজার্ভে এই ইতিবাচক
প্রবাহ দেখা যাচ্ছে: ১. প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি। ২. রপ্তানি আয়ে
স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি। ৩. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় কঠোর তদারকি।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মোট বা গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি
বৈদেশিক দায়ের হিসাব বাদ দিলে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ পাওয়া যায়। এটিই মূলত কোনো দেশের
বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বা আমদানির দায় মেটানোর প্রকৃত সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। রিজার্ভের
এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় স্বস্তির খবর বলে
মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন