ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে সরকারপন্থি সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিচ্ছে দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব সমাবেশে জনসাধারণের উপস্থিতিতে বড় বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
রাজধানী তেহরানের প্রধান চত্বরে আয়োজিত বিশাল এক বিক্ষোভ
সমাবেশে ‘গদর’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় সমাবেশে উপস্থিত জনতা
'ডেথ টু আমেরিকা' স্লোগান দিয়ে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন। তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে
পৃথকভাবে প্রদর্শিত হয় শক্তিশালী ‘খোররামশাহর-৪’ ক্ষেপণাস্ত্র।
ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী চলাকালে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের
কমান্ডার মাজিদ মৌসাভি সরাসরি তেল আবিবে হামলার আহ্বান জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের চলাচলস্থল এবং আবাসিক এলাকাগুলোর মধ্যেই
এই সমরাস্ত্রগুলো প্রদর্শন করা হচ্ছে।
শুধু তেহরানেই নয়, ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী ছড়িয়ে পড়েছে সারা
দেশে। উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানে প্রতিদিন
এসব সরকারপন্থি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা নিয়মিত এসব সমাবেশে
অংশ নিচ্ছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করছেন। মূলত এই সমাবেশের মাধ্যমে ইরান একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ জনমতকে ঐক্যবদ্ধ রাখছে,
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও কড়া বার্তা দিচ্ছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে সরকারপন্থি সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিচ্ছে দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব সমাবেশে জনসাধারণের উপস্থিতিতে বড় বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
রাজধানী তেহরানের প্রধান চত্বরে আয়োজিত বিশাল এক বিক্ষোভ
সমাবেশে ‘গদর’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় সমাবেশে উপস্থিত জনতা
'ডেথ টু আমেরিকা' স্লোগান দিয়ে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন। তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে
পৃথকভাবে প্রদর্শিত হয় শক্তিশালী ‘খোররামশাহর-৪’ ক্ষেপণাস্ত্র।
ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী চলাকালে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের
কমান্ডার মাজিদ মৌসাভি সরাসরি তেল আবিবে হামলার আহ্বান জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের চলাচলস্থল এবং আবাসিক এলাকাগুলোর মধ্যেই
এই সমরাস্ত্রগুলো প্রদর্শন করা হচ্ছে।
শুধু তেহরানেই নয়, ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী ছড়িয়ে পড়েছে সারা
দেশে। উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানে প্রতিদিন
এসব সরকারপন্থি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা নিয়মিত এসব সমাবেশে
অংশ নিচ্ছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করছেন। মূলত এই সমাবেশের মাধ্যমে ইরান একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ জনমতকে ঐক্যবদ্ধ রাখছে,
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও কড়া বার্তা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন