সারাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি এখন গণপরিবহনের ভাড়ার দিকে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সাধারণ জনগণের পকেটে।
এই পরিস্থিতিতে বাসের নতুন ভাড়া কত
হবে তা নিয়ে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ
রবিউল আলম। বুধবার সচিবালয়ে
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের
সাথে ভাড়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত
এক গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য
নিশ্চিত করেন।
সচিবালয়ে
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, আমরা আজ নিজেদের
মধ্যে নানা বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা করেছি। তবে ভাড়ার বিষয়ে
এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত
সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আশা করা যাচ্ছে,
আগামীকাল বৃহস্পতিবার আমরা একটি সিদ্ধান্তে
পৌঁছাতে পারব এবং সেদিনই
নতুন ভাড়ার হার ঘোষণা করা
হবে।
মন্ত্রী
আরও জানান, বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশে তেলের দাম
সমন্বয় করা হয়েছে, তবে
জনগণের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখেই
ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
উল্লেখ্য,
গত শনিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগ ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম ব্যাপক হারে
বৃদ্ধি করে। নতুন দর
অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা, অকটেনে
২০ টাকা, পেট্রোলে ১৯ টাকা এবং
কেরোসিনে ১৮ টাকা বাড়ানো
হয়েছে। ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত
থেকে এই দাম কার্যকর
হওয়ার পর থেকেই পরিবহন
সেক্টরে অস্থিরতা শুরু হয়। যদিও
সরকার এখনো নতুন ভাড়ার
হার চূড়ান্ত করেনি, তবুও দেশের বিভিন্ন
স্থানে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত
ভাড়া আদায় করার খবর
পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে বাস
শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের
মধ্যে মাঠ পর্যায়ে প্রতিনিয়ত
বাগবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনা
ঘটছে।
এদিকে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক
সমিতি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত
যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি
ভাড়া আদায় না করার
জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে।
পরিবহন
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তেলের দাম যেভাবে বেড়েছে
তাতে ভাড়া না বাড়িয়ে
বাস চালানো সম্ভব নয়। এই জটিল
পরিস্থিতি নিরসনে এবং জনভোগান্তি কমাতে
কালকের বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের
সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে
যাতায়াত খরচ আসলে কতটা
বাড়তে যাচ্ছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি এখন গণপরিবহনের ভাড়ার দিকে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সাধারণ জনগণের পকেটে।
এই পরিস্থিতিতে বাসের নতুন ভাড়া কত
হবে তা নিয়ে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ
রবিউল আলম। বুধবার সচিবালয়ে
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের
সাথে ভাড়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত
এক গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এই তথ্য
নিশ্চিত করেন।
সচিবালয়ে
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, আমরা আজ নিজেদের
মধ্যে নানা বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা করেছি। তবে ভাড়ার বিষয়ে
এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত
সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আশা করা যাচ্ছে,
আগামীকাল বৃহস্পতিবার আমরা একটি সিদ্ধান্তে
পৌঁছাতে পারব এবং সেদিনই
নতুন ভাড়ার হার ঘোষণা করা
হবে।
মন্ত্রী
আরও জানান, বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশে তেলের দাম
সমন্বয় করা হয়েছে, তবে
জনগণের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখেই
ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
উল্লেখ্য,
গত শনিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগ ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম ব্যাপক হারে
বৃদ্ধি করে। নতুন দর
অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা, অকটেনে
২০ টাকা, পেট্রোলে ১৯ টাকা এবং
কেরোসিনে ১৮ টাকা বাড়ানো
হয়েছে। ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত
থেকে এই দাম কার্যকর
হওয়ার পর থেকেই পরিবহন
সেক্টরে অস্থিরতা শুরু হয়। যদিও
সরকার এখনো নতুন ভাড়ার
হার চূড়ান্ত করেনি, তবুও দেশের বিভিন্ন
স্থানে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত
ভাড়া আদায় করার খবর
পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে বাস
শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের
মধ্যে মাঠ পর্যায়ে প্রতিনিয়ত
বাগবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনা
ঘটছে।
এদিকে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক
সমিতি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত
যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি
ভাড়া আদায় না করার
জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে।
পরিবহন
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তেলের দাম যেভাবে বেড়েছে
তাতে ভাড়া না বাড়িয়ে
বাস চালানো সম্ভব নয়। এই জটিল
পরিস্থিতি নিরসনে এবং জনভোগান্তি কমাতে
কালকের বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের
সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে
যাতায়াত খরচ আসলে কতটা
বাড়তে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন