হাম বা হাম-উপসর্গের রোগীকে দেশের কোনো হাসপাতাল থেকে অন্যত্র ফেরত না পাঠাতে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে রোগীর চাপ সামলাতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা বাড়ানোরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা আদেশে দেশের সব সরকারি হাসপাতালকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
জরুরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালে শয্যা খালি না থাকলেও রোগী ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে যেসব রোগী জটিল ও উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন তাদের রেফার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্ধারিত রেফারাল চেইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে। এ নিয়ম লঙ্ঘন হলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রধানকে দায় নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গেল কয়েক মাসে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতেই এমন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪ জনের।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
হাম বা হাম-উপসর্গের রোগীকে দেশের কোনো হাসপাতাল থেকে অন্যত্র ফেরত না পাঠাতে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে রোগীর চাপ সামলাতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা বাড়ানোরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা আদেশে দেশের সব সরকারি হাসপাতালকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
জরুরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালে শয্যা খালি না থাকলেও রোগী ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে যেসব রোগী জটিল ও উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন তাদের রেফার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্ধারিত রেফারাল চেইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে। এ নিয়ম লঙ্ঘন হলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রধানকে দায় নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গেল কয়েক মাসে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতেই এমন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪ জনের।

আপনার মতামত লিখুন