বাংলাদেশে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। দেশটির পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ৬ লাখ ‘জিনএক্সপার্ট’ যক্ষ্মা পরীক্ষার কিট এবং শিশুদের যক্ষ্মা চিকিৎসার জন্য ১১ হাজার পূর্ণাঙ্গ ওষুধের কোর্স হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি শীর্ষস্থানীয় যক্ষ্মা
হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুদান তুলে
দেয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক
ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
এই চিকিৎসা সামগ্রীগুলো স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানিয়েছে, এই অনুদান বাংলাদেশের
স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে। বিশেষ করে যক্ষ্মা দ্রুত
শনাক্তকরণ এবং শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
এই সহায়তা কার্যক্রম মূলত দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য অংশীদারিত্ব
সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি কাঠামোর একটি অংশ।
এর মাধ্যমে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত
করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, একই অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ডিজিটাল এক্স-রে এবং নতুন প্রজন্মের
জিন সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহারের আশ্বাসও প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। দেশটির পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ৬ লাখ ‘জিনএক্সপার্ট’ যক্ষ্মা পরীক্ষার কিট এবং শিশুদের যক্ষ্মা চিকিৎসার জন্য ১১ হাজার পূর্ণাঙ্গ ওষুধের কোর্স হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি শীর্ষস্থানীয় যক্ষ্মা
হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুদান তুলে
দেয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক
ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
এই চিকিৎসা সামগ্রীগুলো স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় জানিয়েছে, এই অনুদান বাংলাদেশের
স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে। বিশেষ করে যক্ষ্মা দ্রুত
শনাক্তকরণ এবং শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
এই সহায়তা কার্যক্রম মূলত দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য অংশীদারিত্ব
সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি কাঠামোর একটি অংশ।
এর মাধ্যমে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত
করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, একই অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ডিজিটাল এক্স-রে এবং নতুন প্রজন্মের
জিন সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহারের আশ্বাসও প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন