বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটে বিসিবির এডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ ৭ আইনজীবী এ রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) জারি করা অ্যাডহক
কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনটির ওপর স্থগিতাদেশ (Stay) চাওয়ার পাশাপাশি এ বিষয়ে একটি রুল
জারির আর্জি জানানো হয়েছে।
রিটের বিবরণ অনুযায়ী , গত ৬ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠির প্রেক্ষিতে
প্রথমে নির্বাচনটি নিয়ে চেম্বার কোর্টে রিট হলেও, পরে স্থগিতাদেশ পার হয়ে নির্বাচন
সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
তবে, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া শাখা
থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তদন্ত
কমিশনের প্রতিবেদনে পূর্বের নির্বাচনটি ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। এই যুক্তিতে 'জাতীয়
ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮'-এর ২১ ধারা মোতাবেক নির্বাচিত কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১১
সদস্যের একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।
এই অ্যাডহক কমিটিতে তামিম ইকবাল খানকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত
করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— ফাহিমা সিনহা, রবিউল ইসলাম বাবু, মির্জা সালমান
ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতাহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু,
সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
রিটকারী আইনজীবীদের অভিযোগ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই সিদ্ধান্ত
সম্পূর্ণ বেআইনি এবং 'স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিমালা' (Principle of Natural
Justice)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বলেন, "জাতীয় ক্রীড়া
পরিষদ আইন ২০১৮-এর যে ধারার কথা বলে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ
হওয়ার কারণে কোনো নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সুযোগ নেই। আইনে অ্যাডহক কমিটি গঠনের
জন্য সুনির্দিষ্ট দুটি কারণ উল্লেখ আছে, যার কোনোটিই এখানে বিদ্যমান নেই। একটি বিধিবদ্ধ
সংস্থার নির্বাচিত কমিটিকে এভাবে বেআইনিভাবে ভেঙে দেওয়া সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।"
হাইকোর্টে রিট আবেদনটির শুনানি শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ
দেবেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটে বিসিবির এডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ ৭ আইনজীবী এ রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) জারি করা অ্যাডহক
কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনটির ওপর স্থগিতাদেশ (Stay) চাওয়ার পাশাপাশি এ বিষয়ে একটি রুল
জারির আর্জি জানানো হয়েছে।
রিটের বিবরণ অনুযায়ী , গত ৬ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠির প্রেক্ষিতে
প্রথমে নির্বাচনটি নিয়ে চেম্বার কোর্টে রিট হলেও, পরে স্থগিতাদেশ পার হয়ে নির্বাচন
সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
তবে, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া শাখা
থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তদন্ত
কমিশনের প্রতিবেদনে পূর্বের নির্বাচনটি ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে। এই যুক্তিতে 'জাতীয়
ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮'-এর ২১ ধারা মোতাবেক নির্বাচিত কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১১
সদস্যের একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।
এই অ্যাডহক কমিটিতে তামিম ইকবাল খানকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত
করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— ফাহিমা সিনহা, রবিউল ইসলাম বাবু, মির্জা সালমান
ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতাহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু,
সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
রিটকারী আইনজীবীদের অভিযোগ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই সিদ্ধান্ত
সম্পূর্ণ বেআইনি এবং 'স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিমালা' (Principle of Natural
Justice)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বলেন, "জাতীয় ক্রীড়া
পরিষদ আইন ২০১৮-এর যে ধারার কথা বলে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ
হওয়ার কারণে কোনো নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সুযোগ নেই। আইনে অ্যাডহক কমিটি গঠনের
জন্য সুনির্দিষ্ট দুটি কারণ উল্লেখ আছে, যার কোনোটিই এখানে বিদ্যমান নেই। একটি বিধিবদ্ধ
সংস্থার নির্বাচিত কমিটিকে এভাবে বেআইনিভাবে ভেঙে দেওয়া সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।"
হাইকোর্টে রিট আবেদনটির শুনানি শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ
দেবেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।

আপনার মতামত লিখুন