রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।”
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির
ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব
করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি
শুনিও নাই, পড়িও নাই। তার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকেই আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।
আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন এবং তাকে গ্রেপ্তার করা
প্রয়োজন।”
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অতীত কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা
করে নাহিদ ইসলাম সংসদে বলেন, “তিনি দুদকের কমিশনার থাকাকালীন তিনটি বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট
নিয়ে কাজ করেছিলেন। প্রথমত, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের শাস্তি নিশ্চিত করা; দ্বিতীয়ত,
পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে দায়মুক্তি দেওয়া এবং তৃতীয়ত, ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন
সরকারের সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো বাতিল করা।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ২০০১ সালে হিন্দু হত্যার মিথ্যা
দায়ভার বিএনপির ওপর চাপাতে ২০০৯ সালে গঠিত জুডিশিয়াল ইনকয়ারি কমিশনের মূলে ছিলেন এই
সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ ছাড়া এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দেওয়ার অন্যতম কারিগর
হিসেবেও তাকে অভিযুক্ত করেন নাহিদ ইসলাম।
জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা এবং ফ্যাসিবাদের সঙ্গে
তার সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য যে,
এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও গণহত্যার দোসর এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর ছাত্ররা তার অপসারণ চেয়েছিল, কিন্তু তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে
তার পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। এখন তো নির্বাচিত সরকার, এখন কেন তাকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না?”
নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে ‘মিথ্যুক’ ও ‘অপদার্থ’ হিসেবে অভিহিত
করে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণ এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।”
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির
ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব
করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি
শুনিও নাই, পড়িও নাই। তার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকেই আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।
আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন এবং তাকে গ্রেপ্তার করা
প্রয়োজন।”
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অতীত কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা
করে নাহিদ ইসলাম সংসদে বলেন, “তিনি দুদকের কমিশনার থাকাকালীন তিনটি বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট
নিয়ে কাজ করেছিলেন। প্রথমত, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের শাস্তি নিশ্চিত করা; দ্বিতীয়ত,
পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে দায়মুক্তি দেওয়া এবং তৃতীয়ত, ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন
সরকারের সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো বাতিল করা।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ২০০১ সালে হিন্দু হত্যার মিথ্যা
দায়ভার বিএনপির ওপর চাপাতে ২০০৯ সালে গঠিত জুডিশিয়াল ইনকয়ারি কমিশনের মূলে ছিলেন এই
সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ ছাড়া এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দেওয়ার অন্যতম কারিগর
হিসেবেও তাকে অভিযুক্ত করেন নাহিদ ইসলাম।
জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা এবং ফ্যাসিবাদের সঙ্গে
তার সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য যে,
এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও গণহত্যার দোসর এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর ছাত্ররা তার অপসারণ চেয়েছিল, কিন্তু তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে
তার পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। এখন তো নির্বাচিত সরকার, এখন কেন তাকে পরিবর্তন করা হচ্ছে না?”
নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে ‘মিথ্যুক’ ও ‘অপদার্থ’ হিসেবে অভিহিত
করে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন