বৃষ্টির প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার আকাশচুম্বী। এর ওপরে বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা তৈরি করেছে বাড়তি অস্বস্তি। বাজারে এখন সবজির দাম বেশ চড়া। বিশেষত বেগুন ও কাঁকরোলের দাম নাভিশ্বাস তুলছে ক্রেতাদের। মুরগীর দামেও একই অবস্থা। আজ শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুওে এমন চিত্রই দেখা যায়।
মোহাম্মদপুরের টাউন হলের বাজারে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গোল বেগুনের দাম আরও বেশি, কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। একইভাবে কাঁকরোলের দামও বেশ চড়া। প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলার হালি (৪টা) বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
এদিকে, মুরগির বাজারেও দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের এই উচ্চমূল্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে।
এ পরিস্থিতিতে নাখোশ ক্রেতারা। আর বিক্রেতারা বলছে বৃষ্টিতে পন্য সরবরাহে সমস্যা হওয়াতেই এম দশা।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
বৃষ্টির প্রভাবে নিত্যপণ্যের বাজার আকাশচুম্বী। এর ওপরে বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা তৈরি করেছে বাড়তি অস্বস্তি। বাজারে এখন সবজির দাম বেশ চড়া। বিশেষত বেগুন ও কাঁকরোলের দাম নাভিশ্বাস তুলছে ক্রেতাদের। মুরগীর দামেও একই অবস্থা। আজ শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুওে এমন চিত্রই দেখা যায়।
মোহাম্মদপুরের টাউন হলের বাজারে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গোল বেগুনের দাম আরও বেশি, কেজি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। একইভাবে কাঁকরোলের দামও বেশ চড়া। প্রতি কেজি কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচা মরিচের কেজি ১২০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকলার হালি (৪টা) বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
এদিকে, মুরগির বাজারেও দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের এই উচ্চমূল্যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে।
এ পরিস্থিতিতে নাখোশ ক্রেতারা। আর বিক্রেতারা বলছে বৃষ্টিতে পন্য সরবরাহে সমস্যা হওয়াতেই এম দশা।

আপনার মতামত লিখুন